জিও-ফেসবুক হাত মিলিয়ে নতুন দিনের খোঁজ, হবে অনেক কর্মসংস্থান, জানালেন মুকেশ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের টেলিকম ব্যবসার সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করেছে ফেসবুক। মুকেশ আম্বানির সংস্থা জিও প্ল্যাটফর্মস লিমিটেডে ৪৪ হাজার কোটি টাকার লগ্নি করেছেন ফেসবুকের মালিক মার্ক জুকারবার্গ। জিও প্ল্যাটফর্মের ৯.৯৯ শতাং
শেষ আপডেট: 22 April 2020 06:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের টেলিকম ব্যবসার সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করেছে ফেসবুক। মুকেশ আম্বানির সংস্থা জিও প্ল্যাটফর্মস লিমিটেডে ৪৪ হাজার কোটি টাকার লগ্নি করেছেন ফেসবুকের মালিক মার্ক জুকারবার্গ। জিও প্ল্যাটফর্মের ৯.৯৯ শতাংশ মালিকানা কিনে নিয়েছে ফেসবুক। আর এই সবটাই হয়েছে এক উন্নত ডিজিটাল ভারত গড়ার লক্ষ্যে, এমনটাই বক্তব্য রিলায়েন্স ইন্ড্রাস্ট্রিজ লিমিটেডের মালিক মুকেশ আম্বানির।
ফেসবুকের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার পরে এক ভিডিও বার্তায় নিজের পরবর্তী লক্ষ্যের কথা দেশবাসীকে জানালেন মুকেশ আম্বানি। তিনি বলেন, “জিও-র সঙ্গে এক দীর্ঘকালীন সম্পর্ক শুরু হল ফেসবুকের। এটা হয়েছে ভারতের ডিজিটাল টান্সফর্মেশনের লক্ষ্যে। আমরা দু’জন মিলে ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতি বিশ্বের মধ্যে অন্যতম ভাল জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। একদিন বিশ্বের অন্যতম সেরা ডিজিটাল সোসাইটি হবে এই জিওমার্ট ও হোয়াটসঅ্যাপ।”
ফেসবুক চাইছে তাদের মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম অর্থাৎ হোয়াটসঅ্যাপের সঙ্গে রিলায়েন্সের ই-কমার্স সংস্থা জিওমার্টকে যুক্ত করে একটা নতুন সার্ভিস তৈরি করতে। এই প্রসঙ্গ টেনে এনে আম্বানি বলেন, “ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ এখন ভারতের ঘরে ঘরে। সেইসঙ্গে জিও পরিষেবাও ভারতের একটা বড় অংশের মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছে। এই দুই শক্তি মিলে যাওয়ায় আমরা নতুন নতুন পরিকল্পনা করতে পারব। আমাদের লক্ষ্য হল, খুব তাড়াতাড়ি ৩ কোটি ব্যবসায়ী সংস্থাকে এই অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত করতে। এর মাধ্যমে সরাসরি আর্থিক লেনদেন করা সম্ভব হবে। ঘরে বসেই দোকান থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসের অর্ডারও দিতে পারবেন গ্রাহকরা।”
এর মাধ্যমে কর্মসংস্থানেরও নতুন জোয়ার আসবে বলে জানিয়েছেন রিলায়েন্সের মালিক। তিনি বলেন, “এই পদ্ধতিতে ছোট ব্যবসায়ীরা আরও বেশি সংখ্যক কাজের সুযোগ তৈরি করতে পারবেন। ফলে কর্মসংস্থান বাড়বে। সেইসঙ্গে চাষি, স্বাস্থ্য পরিষেবা, মহিলা ও যুব সমাজের উন্নতিতে সাহায্য করবে এই নতুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম।”
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ডিজিটাল ইন্ডিয়া গড়ার স্বপ্নে এই পার্টনারশিপ অন্যতম প্রধান বিষয় হতে চলেছে বলেও জানিয়েছেন মুকেশ আম্বানি। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর ডিজিটাল ইন্ডিয়ার লক্ষ্যে যে প্রধান দুটি বিষয়ের দিকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন তা হল ‘ইজ অফ লিভিং’ ও ‘ইজ অফ ডুইং বিজনেস’। এই দুটি বিষয়ের দিকে প্রধান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এই নতুন অ্যাপে।”