দ্য ওয়াল ব্যুরো: গরুদের রক্ষার জন্য এবার গরু মন্ত্রিসভা গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মধ্যপ্রদেশ সরকার। টুইট করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। পশুপালন, বন, পঞ্চায়েত, গ্রামোন্নয়ন, কৃষক কল্যাণ দফতর প্রভৃতি এই গরু মন্ত্রিসভার অংশ হবে বলেই জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার সকালে শিবরাজ সিং চৌহান হিন্দিতে টুইট করে বলেন, “রাজ্যে গরুদের রক্ষা ও তাদের বৃদ্ধির জন্য গরু মন্ত্রিসভা গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পশুপালন, বন, পঞ্চায়েত, গ্রামোন্নয়ন, রাজস্ব, স্বরাষ্ট্র ও কৃষক কল্যাণ দফতর এই গরু মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হবে।”
https://twitter.com/ChouhanShivraj/status/1328893915328520193?s=19
শিবরাজ আরও বলেন, “আগামী ২২ নভেম্বর গোপাষ্টমীর দিন দুপুর ১২টায় আগর মালওয়ার গরু স্যাংচুয়ারিতে এই মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক হবে।”
মধ্যপ্রদেশে গরু মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তাব অবশ্য আজকের নয়। ২০১৮ সালে মধ্যপ্রদেশ গরু সংরক্ষণ বোর্ডের চেয়ারপার্সন স্বামী অখিলেশ্বরানন্দ শিবরাজ সিংয়ের কাছে এই গরু মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তাব দেন। সংবাদমাধ্যমের সামনে শিবরাজ সিং মন্ত্রিসভার সদস্য বলেন, “মধ্যপ্রদেশে গরু মন্ত্রিসভা তৈরি করা খুবই জরুরি। মুখ্যমন্ত্রী নিজে একজন কৃষক। আমার মতো মানুষ তাঁকে এই কাজে সাহায্য করবে। আমি মানুষের কাছ থেকে পূর্ণ সমর্থন পাচ্ছি।” এই বিষয়ে একটি চিঠিও তিনি শিবরাজকে পাঠিয়েছেন বলেই জানান অখিলেশ্বরানন্দ।
অবশ্য শিবরাজ সিং চৌহানের এই সিদ্ধান্তে তাজ্জব হয়েছেন অনেকেই। এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলেই মনে করছেন তাঁরা। কারণ গো-পালন তথা পশুপালনে উৎসাহ দিতে মধ্যপ্রদেশে এমনিতেই প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতর রয়েছে। শুধু মধ্যপ্রদেশ কেন সব রাজ্যেই তা রয়েছে। তাই তাঁদের মতে, পৃথক ভাবে গরু-মন্ত্রিসভা গঠনের উদ্দেশ্য স্রেফ রাজনৈতিক। সরকারের সৎ উদ্দেশ্য থাকলে প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের মাধ্যমেই সেই কাজ করা যেত। পৃথক দফতর গড়তে হত না।