দ্য ওয়াল ব্যুরো: নাগরিকত্ব আইন ঠিক কী? এই আইন নিয়ে জনমানসে কী ধারনা রয়েছে এবং আসল সত্যিটা কী, এই সংক্রান্ত আলোচনার জন্য বৈঠক ডেকেছিল মোদী সরকার। উপস্থিত থাকার কথা ছিল বলিউডের একাধিক সেলিব্রিটির। কিন্তু আদতে দেখা গেল প্রথম সারির অভিনেতা-অভিনেত্রী, পরিচালক, গায়করা প্রায় কেউই এলেন না। বৈঠকের পরে নৈশভোজের আসরেও দেখা গেল না তাঁদের।
রবিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ও বিজেপির সহ-সভাপতি বৈজয়ন্ত পাণ্ডা মুম্বইয়ের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে এই বৈঠক ডাকেন। প্রযোজক রীতেশ সিধওয়ানি, ভূষণ কুমার, কুণাল কোহলি, রমেশ তৌরানি, রাহুল রাওয়াল, সেন্সর বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রসূন জোশী, গায়ক শান, কৈলাস খের, সঙ্গীত পরিচালক অনু মালিক এবং অভিনেতা রণবীর শোরি ও অভিনেত্রী ঊর্বশী রাওতেলাকে দেখা গেল এই বৈঠকে।
এদিনের বৈঠকে এলেন না বলিউডের প্রথম সারির প্রায় কেউ। মনে করা হয়েছিল জাভেদ আখতার, ভিকি কৌশল, আয়ুষ্মান খুরানা, রবীনা ট্যান্ডন, বনি কাপুর, কঙ্গনা রানাওয়াত, মধুর ভান্ডারকরের মতো বলিউড ব্যক্তিত্বরা এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। কিন্তু তাঁদের দেখা যায়নি।

রবিবার মুম্বইয়ের দুটি আলাদা জায়গায় নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে দেখা গিয়েছে অভিনেত্রী রিচা চাড্ডা ও পরিচালক কবীর খানকে। তাঁদের আমন্ত্রণ জানানোর পরেও নাকি তাঁরা এই বৈঠকে আসেননি। অন্যদিকে স্বরা ভাস্কর, অনুরাগ কাশ্যপ, সুশান্ত সিং, নিখিল আডবাণীর মতো সেলিব্রিটি, যাঁরা বহুদিন ধরে এই আইনের বিরোধিতা করছেন, তাঁরা বৈঠকের আমন্ত্রণ পাননি বলে খবর।
এই বৈঠকে উপস্থিত এক আধিকারিকের কথায়, “আমি আশা করেছিলাম আরও কিছু তারকারা আসবেন। যদিও এই বৈঠকের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল নাগরিকত্ব আইন নিয়ে জনমানসে যে ভুল ধারনা তৈরি হয়েছে তা মেটানো। কিন্তু বলিউডের তারকারা যদি সেটা মানুষের সামনে বলতেন তাহলে তার প্রভাব বেশি হত।”
জানা গিয়েছে, মোদী সরকার পরিকল্পনা করেছে এই নাগরিকত্ব আইনের ব্যাপারে সমাজের সব ক্ষেত্রের মানুষের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। এই আইন সম্পর্কে জনমানসে তৈরি হওয়া ক্ষোভ কমাতে এই পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র। তারই প্রথম ধাপে বিনোদন জগতের তারকাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু এলেন না বেশিরভাগ তারকা।