Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

ঝাঁসিতে ট্রেনের শৌচাগারে মিলল শ্রমিকের দেহ, মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধন্ধে পুলিশ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসি স্টেশনে ট্রেনের শৌচাগার থেকে উদ্ধার হল ভিন রাজ্যের শ্রমিকের মৃতদেহ। বুধবার মৃতদেহটি উদ্ধার হলেও তা রেলের তরফে শুক্রবার জানানো হয়। জানা গিয়েছে, প্রায় পাঁচদিন ওভাবেই শৌচাগারে পড়ে ছিল দেহটি। রেল সূত্রে

ঝাঁসিতে ট্রেনের শৌচাগারে মিলল শ্রমিকের দেহ, মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধন্ধে পুলিশ

শেষ আপডেট: 29 May 2020 10:35

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসি স্টেশনে ট্রেনের শৌচাগার থেকে উদ্ধার হল ভিন রাজ্যের শ্রমিকের মৃতদেহ। বুধবার মৃতদেহটি উদ্ধার হলেও তা রেলের তরফে শুক্রবার জানানো হয়। জানা গিয়েছে, প্রায় পাঁচদিন ওভাবেই শৌচাগারে পড়ে ছিল দেহটি। রেল সূত্রে খবর, দেহটি মোহন লাল শর্মা নামের ৩৮ বছর বয়সী এক শ্রমিকের। তাঁর বাড়ি উত্তরপ্রদেশের বাস্তিতে। মহারাষ্ট্রে শ্রমিকের কাজ করতেন মোহন। কিন্তু লকডাউনের ফলে কাজ চলে যায় তাঁর। ফলে রাজ্যে ফেরার চেষ্টা করেন তিনি। মদন মুরারি নামের তাঁর এক আত্মীয় জানিয়েছেন, গত ২৩ মে মহারাষ্ট্র থেকে বাসে করে ঝাঁসিতে ফেরেন তিনি। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার কথা ছিল তাঁর। প্রশাসনের তরফে তাঁদের গোরক্ষপুরের একটি ট্রেনে তুলে দেওয়া হয়। সেই ট্রেনে করে গোরক্ষপুরে নেমে সেখান থেকে বাস্তিতে আসার কথা ছিল মোহনের। ২৩ তারিখ তাঁকে ফোন করে মোহন বলেন পরের দিন স্টেশনে আসতে। কিন্তু পরের দিন মুরারি ফোন করলে মোহনের ফোন বন্ধ বলে। তারপরেই জানা যায় দেহ উদ্ধার হয়েছে তাঁর। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, গোরক্ষপুর থেকে ট্রেন ফেরার পরে সব কামরা জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করছিলেন কর্মীরা। তখনই একটি কামরার শৌচালয় থেকে দেহ উদ্ধার হয়। অথচ ওই কামরাটি বন্ধ ছিল। অর্থাৎ ওই কামরায় কারও ওঠার কথা নয়। সেখানে কী ভাবে মোহন গেলেন সেটাই বুঝতে পারছেন না রেলের আধিকারিকরা। রেলমন্ত্রকের পাবলিক রিলেশন অফিসার মনোজ কুমার সিং জানিয়েছেন, "যে কামরা থেকে দেহ উদ্ধার হয়েছে সেটি লক করা ছিল। তার ভিতরে কী ভাবে দেহ পৌঁছল সেটাই বোঝা যাচ্ছে না। শ্রমিকদের ট্রেনে তোলার আগে প্রত্যেকের শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছিল। মোহনের কোনও শারীরিক সমস্যা ছিল না। ট্রেন থেকেও কেউ জানায়নি যে কেউ অসুস্থ হয়েছেন।" জানা গিয়েছে, দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। সেই সঙ্গে কোভিড ১৯ টেস্টও হবে। তারপরেই দেহ পরিবারের হতে তুলে দেওয়া হবে। মোহনের এক আত্মীয় কানহাইয়া লাল শর্মা জানিয়েছেন, "কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাড়ি ফিরতে চেয়েছিল মোহন। কারও সঙ্গে কোনওদিন গন্ডগোল হয়নি মোহনের। তাই ওর উপর কারও রাগ থাকবে বলে মনে হয় না। শরীর খারাপ বলেও শুনিনি। কী ভাবে মোহন মারা গেল সেটাই বুঝতে পারছি না।"

```