দ্য ওয়াল ব্যুরো : প্রায় ২৪ ঘণ্টা হতে চলল মুম্বইয়ের ডোংরি এলাকায় পাঁচতলা বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনা। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে আট জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে খবর। এখনও ৪০ থেকে ৫০ জন ভেঙে পড়া বাড়ির মধ্যে আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর, দমকল ও পুলিশ পরিস্থিতি মোকাবিলার কাজ করছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার সকালে মুম্বইয়ের ডোংরি এলাকায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে একটি ১০০ বছর পুরনো পাঁচতলা বাড়ির একাংশ৷ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে কমপক্ষে ৪০ থেকে ৫০ জন মানুষের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হয়৷ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার কাজ শুরু করে দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী৷ পৌঁছে যায় প্রচুর অ্যাম্বুল্যান্স। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সকলকে জীবিত অবস্থায় দ্রুত উদ্ধার করতে তৎপর বাহিনী৷ ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ। তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে সব দিকে নজর রাখতে থাকেন।
স্থানীয়রা বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকালে ১১টা ৪০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই একটি বিকট শব্দ শুনতে পান তাঁরা৷ এর পরেই দেখা যায় ভেঙে পড়েছে টান্ডেল স্ট্রিটের কেশরীবাই বিল্ডিংয়ের একটি অংশ৷ জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে উদ্ধারকাজ শুরু করেন স্থানীয়রা৷ পরে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল, পুলিশ কর্মীরা এলেও গোটা দিন উদ্ধারকাজে স্থানীয়দের যোগদান ছিল চোখে পড়ার মতো।
ওই এলাকা এমনিতেই ঘিঞ্জি। সেখানেই বাড়ি ভেঙে পড়ার খবরে উৎসাহী মানুষের ভিড় হয়। সেই ভিড় সামলে উদ্ধারকাজ প্রথমদিকে ব্যহত হয় বেশ কিছুক্ষণ। এর পরেই স্থানীয় জনতা তৈরি করেন মানব-শৃঙ্খল। আর তার পরেই উদ্ধার কাজে বিভিন্ন বাহিনী ঠিক ভাবে কাজ করতে পারে। চলতি মাসের শুরুতেই মুম্বইয়ে ভেঙে পড়েছিল ছারনি রোডের মামা পরমানন্দ বিল্ডিং। ৮ জুলাই মুম্বইয়ের শিবাজি রোডেও একটি বাড়ি ভেঙে পড়ে। কিন্তু ক্ষতির বিচারে সে সবকে টপকে গেল মঙ্গলাবার ডোংরি রোডের দুর্ঘটনা।