মন কি বাত: করোনা মোকাবিলায় রাজ্যগুলির ভূমিকার প্রশংসায় মোদী
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে করোনা সংক্রমণ রোধে লকডাউন করার পর দ্বিতীয়বার নিজের রেডিও শো মন কি বাত অনুষ্ঠানে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিনের অনুষ্ঠানে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে দেশবাসীর প্রশংসা করেন তিনি। সেইসঙ্গে করোনা মোকাবিলায়
শেষ আপডেট: 26 April 2020 07:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে করোনা সংক্রমণ রোধে লকডাউন করার পর দ্বিতীয়বার নিজের রেডিও শো মন কি বাত অনুষ্ঠানে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিনের অনুষ্ঠানে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে দেশবাসীর প্রশংসা করেন তিনি। সেইসঙ্গে করোনা মোকাবিলায় যেভাবে রাজ্যগুলি এগিয়ে এসেছে, তাদেরও ভূমিকার প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
এদিনের অনুষ্ঠানে মোদী বলেন, কোভিড ১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে রাজ্য সরকারগুলি। তিনি বলেন, “সময় ধরে পরিস্থিতি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে রাজ্য সরকারগুলি। কেন্দ্রের তরফে সাধারণ মানুষের জন্য যে যে সুবিধার কথা ঘোষণা করা হয়েছে তা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে রাজ্য সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন।"
এর আগে ১৪ এপ্রিল লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর আগে মোদী বলেছিলেন, "করোনার বিরুদ্ধে এই লড়াই কী ভাবে চলবে সেই প্রসঙ্গে প্রতিনিয়ত রাজ্যগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে কেন্দ্রের। সবাই পরামর্শ দিয়েছে লকডাউন এখনও চলা উচিত। অনেক রাজ্য তো লকডাউন চলবে বলে ঘোষণাও করে দিয়েছে।”
লকডাউন হওয়ার পর তিনবার সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মোদী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফেও রাজ্যের মুখ্যসচিবদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। ১৪ এপ্রিল লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর আগে মুখ্যমন্ত্রীদের তরফেই আবেদন করা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীকে। ৩ মে-র পরে কী হবে তা নিয়ে শিগগির ফের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মোদী।
এদিনের অনুষ্ঠানে দেশবাসীকে মাস্ক পরার প্রয়োজনীয়তার কথা আরও একবার মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমাদের মাস্ক পরতে হবে। এটা আমাদের জীবনের অঙ্গ হয়ে গিয়েছে। সভ্য সমাজের প্রতীক হয়ে উঠেছে মাস্ক। এটা এক নতুন বাস্তব। মাস্কের ব্যাপারে আমাদের ধারণা আরও বদলে যাবে। আমরা বুঝতে পারছি রাস্তায় থুতু ফেলা খারাপ। এই অভ্যাস আমাদের ছাড়তে হবে।”
কোভিড ১৯-এর বিরুদ্ধে দেশবাসীর লড়াইয়ের প্রসঙ্গ তোলেন মোদী। তিনি বলেন, “করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ভারতের লড়াই হল জনগণের লড়াই। এই লড়াই মানুষ ও প্রশাসন একসঙ্গে লড়েছে। ভারতের মতো একটা বড় দেশ, যে উন্নতির চেষ্টা করছে, যেখানে দারিদ্রের বিরুদ্ধে লড়াই চলছে, সেখানে এই লড়াইয়ে জেতার একটাই সুযোগ ছিল। আমরা ভাগ্যবান যে দেশের সব মানুষ যোদ্ধাদের মতো এই লড়াইয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে।”