দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল পঞ্জাবের লুধিয়ানার অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার অনিল কোহলির। শনিবার লুধিয়ানার এসপিএস হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।
অনিল কোহলির মৃত্যুর খবর টুইট করে জানিয়েছে ডিস্ট্রিক্ট পাবলিক রিলেশন অফিস। টুইটে বলা হয়েছে, “এটা খুবই দুঃখের যে কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়ে লুধিয়ানার অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার অনিল কোহলির মৃত্যু হয়েছে। লুধিয়ানার এসপিএস হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি।” এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পঞ্জাবের পুলিশ মহলে।
পঞ্জাবে এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০২ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৭ জন।
ভারতে বেড়েই চলেছে কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকে রিপোর্ট অনুসারে ১৮ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত ভারতে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা মোট ১৪,৩৭৮। মৃত্যু হয়েছে ৪৮০ জনের। অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা ১১,৯০৬। আর সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯৯২ জন।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একরাতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪৩ জন। আর একরাতে সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ২৮ জনের। একরাতে সুস্থও হয়েছেন ২২৫ জন।
এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা মহারাষ্ট্রেই সবচেয়ে বেশি। মৃতের সংখ্যার নিরিখেও সব রাজ্যকে ছাপিয়ে গিয়েছে মারাঠা প্রদেশ। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে বাণিজ্যনগরী মুম্বইতে। সেখানেই আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। মহারাষ্ট্রে এখনও পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩২৩ জন। মৃতের সংখ্যা ২০০ পেরিয়েছে। মারাঠা প্রদেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ২০১ জনের। আর সুস্থ হয়েছে উঠেছেন ৩৩১ জন।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, দেশজুড়ে লকডাউন ও র্যাপিড টেস্ট শুরু করার পরে ভারতে কোভিড ১৯ গ্রোথ রেট বা বৃদ্ধির হার ২.১ শতাংশ থেকে কমে ১.২ শতাংশ হয়েছে। অর্থাৎ এই বৃদ্ধির হার ৪০ শতাংশ কমেছে। এছাড়া কোভিড ১৯ ডাবলিং রেট ৩ দিন থেকে ৬.২ দিন হয়েছে। অর্থাৎ ডাবলিং রেট বা আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ার দিনও কমেছে। এছাড়া করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা ও মৃত্যুর হার অর্থাৎ ওভারকাম রেশিও বর্তমানে দেশে যথাক্রমে ৮০ শতাংশ ও ২০ শতাংশ। যা ইউরোপের অনেক দেশের থেকে ভাল।