দ্য ওয়াল ব্যুরো: বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপ-প্রধানমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আডবাণীর ৯৩ তম জন্মদিনে তাঁকে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। টুইট করে এই শুভেচ্ছা জানান তিনি। সেখানে আডবাণীকে বিজেপি কর্মী ও প্রত্যেক দেশবাসীর সামনে জীবন্ত অনুপ্রেরণা হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।
রবিবার সকালে হিন্দিতে টুইট করেন নরেন্দ্র মোদী। সেখানে তিনি বলেন, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর ডেপুটি হিসেবে ভারতের উন্নয়ন ও তার সঙ্গে বিজেপিকে আরও বেশি মানুষের দল করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন আডবাণী।
টুইটে মোদী লেখেন, “লালকৃষ্ণ আডবাণীজিকে অনেক শুভেচ্ছা। উনি ভারতের উন্নয়ন ও বিজেপিকে জনতার দল হিসেবে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। উনি লক্ষ লক্ষ বিজেপি কর্মী ও দেশবাসীর কাছে এক জীবন্ত অনুপ্রেরণা। ওনার দীর্ঘায়ু ও ভাল স্বাস্থ্যের প্রার্থনা করি।”
https://twitter.com/narendramodi/status/1325268143464349699?s=19
এদিন সকালে লালকৃষ্ণ আডবাণীর বাড়িতেও যান মোদী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা। সেখানে কেক কাটা হয়। বেশ কিছুক্ষন সবাই মিলে গল্প করেন। আডবাণীকে নিজে হতে কেক খাইয়ে দেন মোদী।
১৯২৭ সালের ৮ নভেম্বর অবিভক্ত ভারতের করাচিতে জন্ম নেন লালকৃষ্ণ আডবাণী। দেশভাগের পরে তাঁরা ভারতে চলে আসেন। বিজেপির একদম জন্মলগ্ন থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন আডবাণী। তাঁর আর অটল বিহারী বাজপেয়ীর জুটি বিজেপিকে ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল।
সবথেকে দীর্ঘ সময়ের জন্য বিজেপি সভাপতির ভূমিকায় ছিলেন আডবাণী। তাঁর সময়েই সংগঠনকে অনেক বেশি পোক্ত করেছিলেন তিনি। গোটা ভারত জুড়ে তাঁর রথযাত্রার একটা বড় প্রভাব পড়েছিল ভারতের রাজনীতিতে। সেই সময়েই ভারতের রাজনীতিতে একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হল বাবরি মসজিদ ভাঙা। ১৯৯২ সালে করসেবকরা গিয়ে মন্দির ভাঙেন। সেই ঘটনাতেও নাম জড়ায় আডবাণীর। হিংসায় উস্কানি দেওয়ার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও হয়। যদিও সম্প্রতি সেই মামলায় নির্দোষ প্রমাণিত হন তিনি।