দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। আর এই করোনা ভাইরাসে সবথেকে বেশি আক্রান্ত রাজ্য কেরল। মঙ্গলবারও সেখানে ৬ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের জীবাণু পাওয়া গিয়েছে। এই অবস্থায় ভাইরাস ছড়ানো আটকাতে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিনারাই বিজয়নের সরকার। কেরলের সব সিনেমা হলগুলিকে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
ইতিমধ্যেই কেরলের প্রায় সব হাসপাতালে আলাদা করে আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। করোনা আক্রান্ত রোগীদের আলাদা করে কোয়ারেন্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও রাজ্যে এই মুহূর্তে ১৫ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। তাই ৩১ মার্চ পর্যন্ত রাজ্যের সব সিনেমা হল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেরল সরকার। মঙ্গলবার রাতে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে একথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এক জায়গায় বেশি লোক জড়ো হলে এই ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভবনা বেশি। আর সিনেমা হলে এক জায়গায় অনেক লোক কয়েক ঘণ্টা থাকেন। সেখানে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই সরকারের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত ৩১ মার্চ পর্যন্ত সব সিনেমা হল বন্ধ থাকবে। তারপর পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
শুধু সিনেমা হল বন্ধ রাখাই নয়, এই মুহূর্তে কেরলের সাধারণ মানুষের কাছে সরকারের আবেদন, বিয়ে বা উৎসব না করতে। কারণ এই উপলক্ষ্যেও অনেক মানুষ এক জায়গায় জড়ো হন। এমনকি শবরীমালা মন্দিরেও ভিড় না বাড়ানোর অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত রাজ্যের সব স্কুলের পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ারও নির্দেশ স্কুলগুলিকে দিয়েছে রাজ্য সরকার।
এর আগে মঙ্গলবারই জানা গিয়েছে, করোনা ভাইরাসের সঙ্গে কলেরার সংখ্যাও বাড়ছে কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে। তাই সব স্ট্রিট ফুড বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে কর্ণাটক সরকার। নজরদারি চালানো হচ্ছে পানীয় জলে। সব মিলিয়ে দক্ষিণ ভারতে করো আতঙ্কে জেরবার সেখানকার বাসিন্দারা।