দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রাচীন মন্দিরে গুপ্তধন খুঁজতে গিয়েছিল ৯ জন যুবক। কিন্তু সেসবের সন্ধান মেলার আগেই ঘটে গেল বিপত্তি। হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল ৬০০ বছরের প্রাচীন মন্দিরের একাংশ। শনিবার দুপুরে বেঙ্গালুরু থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এক জনের। তিন জনের গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে খবর।
বেঙ্গালুরুর নন্দাগুড়ি থানার পুলিশ জানিয়েছে, এদিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর তিনটের মধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। যারা গুপ্তধনের সন্ধানে ওই মন্দিরে গিয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে ভূমি দফতরের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তারা আরও জানিয়েছে, সারাভোরা অঞ্জনেয়াস্বামী মন্দিরে গুপ্ত ধনের সন্ধানে ৯ যুবক এলেও মন্দিরের একটি অংশ ভেঙে পড়ার পর পাঁচ জন ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয় তাদের সন্ধানেও তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
সংবাদমাধ্যমকে পুলিশ জানিয়েছে বিকেল চারটে নাগাদ গোটা ঘটনা জানাজানি হয়। মন্দিরের পিলার ভেঙে পড়ার পর আহতদের মধ্যে একজন অ্যাম্বুল্যান্সের টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় অ্যাম্বুলেন্স। মন্দিরে পৌঁছে কার্যত আঁতকে ওঠেন অ্যাম্বুলেন্স চালক। তিনিই দেখতে পান প্রাচীন মন্দিরের একটি পিলারের নীচে চাপা পড়ে রয়েছে এক যুবক। আরও তিন জন আহত। ওই অ্যাম্বুলেন্স চালকই সমস্ত ঘটনা পুলিশকে জানান।
যে যুবক পিলারের তলায় চাপা পড়ে মারা গিয়েছে তার নাম সুরেশ বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। বয়স ২৩ বছর। আহতদের নাম শ্রীনিবাস, মঞ্জুনাথ এবং রাজা রত্ন। প্রত্যেকেরই বয়স ২২-২৫ এর মধ্যে। এর মধ্যে মঞ্জুনাথ ও শ্রীনিবাসের পায়ে আঘাত লেগেছে এবং রাজা রত্নের আঘাত লেগেছে হাতে।
রবি নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, তাঁদের গ্রামের এই প্রাচীন মন্দিরে গুপ্তধন শিকারীদের আনাগোনা এই প্রথম নয়। হামেশাই এই ঘটনা ঘটে। তাঁর দাবি, শুক্রবার রাতে মন্দিরে ঢুলেছিল এই ছয় যুবক। পুলিশ জানিয়েছে যারা পালিয়ে গিয়েছে তাদেরও নাম, ঠিকানা ইতিমধ্যে প্রশাসনের হাতে এসেছে। তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।