দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণের মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে বিয়ের অনুষ্ঠানে সর্বাধিক ৫০ জন উপস্থিত থাকতে পারবেন। জমায়েত করলে চলবে না। মানতে হবে সামাজিক দূরত্ব। অথচ কর্নাটকের কংগ্রেস বিধায়কের বিয়েতে এসব কিছুই মানা হল না। যদিও সেখানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজেই উপস্থিত ছিলেন।
কর্নাটকের হুবিনা হাদাগালি কেন্দ্রের বিধায়ক পরমেশ্বর নায়কের বিয়ে ছিল। বিয়ে উপলক্ষ্যে বেল্লারি জেলার লক্ষ্মীপুরাতে একটি মাঠে তাঁবু খাটানো হয়। বিয়ে উপলক্ষ্যে কয়েকশ অতিথি এসেছিলেন। কর্নাটকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বি শ্রীরামুলু ও কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়া উপস্থিত ছিলেন সেখানে।
এই বিয়ের বেশ কিছু ভিডিও সামনে এসেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে অতিথিদের মধ্যে অন্তত অর্ধেকের মুখে মাস্ক নেই। বিয়েবাড়ির মধ্যে চেয়ারে গায়ে গায়ে বসে রয়েছেন অতিথিরা। বিয়ে কভার করতে আসা সাংবাদিকদেরও অনেকের মাস্ক নেই। এমনকি স্বাস্থ্যমন্ত্রী শ্রীরামুলু নিজেই মাস্ক পারেননি। সিদ্দারামাইয়া অবশ্য মাস্ক পরেছিলেন।
এই বিয়ের ভিডিও সামনে আসতেই শুরু হয় সমালোচনা। নেতা মন্ত্রীরা যদি নিয়ম না মানেন তাহলে সাধারণ মানুষ কেন তা মানবেন, এই প্রশ্ন করেন সবাই। সমালোচনার মধ্যে বেল্লারির জেলাশাসক এস এস নকুল জানিয়েছেন, যাঁরা আইন ভেঙেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে এপ্রিল মাসে ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়ার নাতি তথা কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামীর ছেলে নিখিল কুমারস্বামীর বিয়ে হয়। এই বিয়ে উপলক্ষ্যেও বিশাল ধুমধাম করা হয়েছিল। অনেক অতিথি উপস্থিত ছিলেন। কোনও রকমের সামাজিক দূরত্ব মানা হয়নি। তখনও একবার সমালোচনা হয়েছিল।