দ্য ওয়াল ব্যুরো: জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তথা বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা প্রত্যাহার করা হয়েছিল গত বছর ৫ অগস্ট। রাজ্য ভেঙে দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের পর জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর করা হয়েছিল প্রাক্তন আমলা জিসি মুর্মুকে। সূত্রের খবর, গতকাল ৫ অগস্ট জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন জিসি মুর্মু।
এও জানা যাচ্ছে, তাঁর পরিবর্ত খুঁজছে দিল্লি। কারণ, দ্রুততার সঙ্গে ওই পদে নতুন কাউকে নিয়োগ করতে হবে। লেফটেন্যান্ট গভর্নর একটি সাংবিধানিক পদ। বেশি দিন এই পদ ফাঁকা রাখা যায় না। দ্রুত কাউকে নিয়োগ না করলে সাংবিধানিক সংকট দেখা দিতে পারে। সরকারের একটি সূত্রের খবর, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব রাজীব মহাঋষিকে জম্মু ও কাশ্মীরের নতুন লেফটেন্যান্ট জেনারেল করতে পারে নয়া দিল্লি। আগামী শনিবার, ৮ অগস্ট তাঁকে ওই পদে নিয়োগ করতে পারে কেন্দ্র।
১৯৮৫ ব্যাচের গুজরাত ক্যাডারের অফিসার ছিলেন মুর্মু। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী তখন সেই রাজ্য প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন এই আমলা। মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের গুরুত্বপূর্ন দায়িত্বে নিয়ে আসা হয় মুর্মুকে।
গত বছর নভেম্বরে ছিল জিসি মুর্মুর অবসর। কিন্তু তার আগেই অক্টোবরে দুই কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট জেনারেল করা হয় তাঁকে। সরকারি একটি সূত্রের বক্তব্য, নতুন কাকে লেফটেন্যান্ট গভর্নর করা হবে তা নির্ভর করছে দিল্লির উপর। কেন্দ্র যদি চায় কাশ্মীরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হোক তাহলে এমন কাউকে দায়িত্ব দেবে যিনি কাশ্মীরের রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সংযোগ রেখে চলতে পারেন।
তাৎপর্যপূর্ণ হল, গত বছর যে দিনে ৩৭০ ধারার বিলোপ হয়েছিল ঠিক সেই দিনই পদত্যাগ করেছেন জিসি মুর্মু।