দ্য ওয়াল ব্যুরো: দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ান জেলার কুটপোরা এলাকায় সেনার গুলিতে খতম হয়েছে ২ জঙ্গি। তবে তারা কোন সংগঠনের সদস্য তা এখনও জানা যায়নি। নিহত জঙ্গিদের নাম, পরিচয় জানার চেষ্টা চালাচ্ছে নিরাপত্তাবাহিনী। আজ সকলেই খতম হয়েছে এই ২ জঙ্গি। সেনাবাহিনীর তরফে কোনও হতাহতের খবর নেই। সূত্রের খবর, নিহত ২ জঙ্গি সম্প্রতি সোপিয়ানের একটি ব্যাংক থেকে ৬০ লক্ষ ডাকাতি করেছিল।
গতকাল অর্থাৎ সোমবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে নিরাপত্তাবাহিনী খবর পেয়েছিল যে কুটপোরা এলাকায় আঁটঘাট বেঁধে তৈরি হচ্ছে জঙ্গিরা। বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। জঙ্গিদের ছক ভেস্তে দেওয়ার জন্য আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে অভিযান শুরু করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। সেনার উপস্থিতি টের পেয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে জঙ্গিরা। দু'পক্ষের গুলির লড়াইয়ে খতম হয়েছে ওই দুই জঙ্গি।
এলাকা জুড়ে এখনও জারি রয়েছে তল্লাশি। থমথমে পরিবেশে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে চলছে সেনার টহলদারি। কোনও জঙ্গি লুকিয়ে থাকলে তারা যেন পালাতে না পারে সেজন্য সীমান্ত এলাকায় নজরদারি রয়েছে নিরাপত্তাবাহিনীর। ভারতীয় সেনার ৩৪ নম্বর রাষ্ট্রীয় রাইফেল, সিআরপিএফ ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ যৌথ ভাবে এই অভিযান চালিয়েছে আজ সকালে। সেনা সূত্রে খবর, প্রথমে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। কিন্তু তাতে গুরুত্ব না দিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় জঙ্গিরা। তখন পাল্টা জবাব দেন নিরাপত্তারক্ষীরাও।
অন্যদিকে আজ সকালে পুঞ্চ সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ফের গোলাগুলি ছুঁড়তে শুরু করেছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। পুঞ্চের সাহাপুর, কিরনি ও কোসাবা এলাকায় পাক গোলা-বারুদ বর্ষণ এবং মর্টার শেলিংয়ের কড়া জবাব দিয়েছেন ভারতীয় সেনা জওয়ানরাও।
গত রবিবার উত্তর কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলা মছিল সেক্টর বরাবর জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখতে গিয়ে এক ভারতীয় সেনা জওয়ান এবং বিএসএফের এক কনস্টেবল-সহ মোট তিন জওয়ান, অর্থাৎ মোট চারজন শহিদ হয়েছেন। খতম হয়েছিল ৩ জঙ্গিও। সেনার তরফে জানানো হয়েছে, এপ্রিল থেকে এখনও পর্যন্ত এ বছরের সবচেয়ে বড় এনকাউন্টার এটিই।