নতুন নজির, বিশ্বের সবথেকে হালকা স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠাতে চলেছে ইসরো
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতের মহাকাশ গবেষণায় নতুন নজির। বিশ্বের সবথেকে হালকা স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠাতে চলেছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো এই স্যাটেলাইট বানাতে এক পয়সাও খরচ করতে হয়নি ইসরোকে। কারণ স্যাটেলাইটটি বানিয়েছে
শেষ আপডেট: 24 January 2019 12:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতের মহাকাশ গবেষণায় নতুন নজির। বিশ্বের সবথেকে হালকা স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠাতে চলেছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো এই স্যাটেলাইট বানাতে এক পয়সাও খরচ করতে হয়নি ইসরোকে। কারণ স্যাটেলাইটটি বানিয়েছে ছাত্ররা-ছাত্রীরা। চেন্নাইয়ের 'স্পেস কিডজ ইন্ডিয়া' নামের এক বেসরকারি সংস্থার ছাত্র-ছাত্রীরা বানিয়েছে এই স্যাটেলাইট।
ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে, এই সংস্থার ছাত্র-ছাত্রীরা ছ'বছর ধরে বানিয়েছে এই স্যাটেলাইট। স্যাটেলাইটটির ওজন ১.২৬ কেজি। ২০ জন ছাত্র-ছাত্রীদের এই দলের লিডার ছিলেন ৪৫ বছরের শ্রীমাথি কেসান। এই স্যাটেলাইট বানাতে খরচ হয়েছে ১২ লাখ টাকা।
এই স্যাটেলাইটটির নাম দেওয়া হচ্ছে কালামস্যাট- ভি২। ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে বৃহস্পতিবারের এই উৎক্ষেপণ মহাকাশ গবেষণায় এক মাইলস্টোন। তবে এই প্রথম নয়, এর আগে আরও হালকা একটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের চেষ্টা করা হয়েছিল। ৬৪ গ্রাম ওজনের এই স্যাটেলাইটের নাম দেওয়া হয়েছিল কালামস্যাট 'গুলাবজামুন'। স্যাটেলাইটের আকৃতির জন্য এই নাম দেওয়া হয়েছিল। নাসা থেকে এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হলেও তা পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ ছাড়িয়ে নিজের কক্ষপথে যেতে পারেনি।
[caption id="attachment_73991" align="aligncenter" width="443"]
এই সেই স্যাটেলাইট [/caption]
বৃহস্পতিবার অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র থকে উৎক্ষেপণ করা হবে এই স্যাটেলাইট। পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিক্যাল বা পিএসএলভি রকেটের মাধ্যমে এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এই স্যাটেলাইটের প্রধান কাজ হবে নিজের কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে ভারতের সুরক্ষা ব্যবস্থার দিকে খেয়াল রাখা ও ছবি তুলে পাঠানো।
৪৪.৪ মিটার লম্বা এই পিএসএলভি রকেটের ওজন ২৬০ টন। এ দিনের উৎক্ষেপণ এই রকেটের ৪৬ তম উৎক্ষেপণ হতে চলেছে। এই মুহূর্তে শ্রীহরিকোটাতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। এর আগে ২৯ নভেম্বর ইসরোর তরফে পিএসএলভি সি৪৩ রকেটের মাধ্যমে একটি আর্থ-অবজারভেশন স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল। তারপরে ফের এ দিন উৎক্ষেপণের প্রস্তুতিতে শ্রীহরিকোটা।