
শেষ আপডেট: 21 June 2020 03:58
ইন্দো- চিন সীমান্তে বদ্রীনাথের কাছে বসুধরা হিমবাহে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৪ হাজার ফুট উচ্চতায় যোগাভ্যাস করতে দেখা গিয়েছে ইন্দো- টিবেটান বর্ডার পুলিশের আধিকারিকদের। এছাড়া অরুণাচল প্রদেশে সীমান্ত এলাকাতেও যোগাভ্যাস করেছেন তাঁরা। সেখানে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি বিশেষ যোগ করে দেখান আধিকারিকরা।
আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে রবিবার সকালেই দেশবাসীর উদ্দেশে ভিডিও বার্তায় নিজের বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, প্রাণায়াম অর্থাৎ শ্বাসের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর জন্য যে যোগ রয়েছে তা মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কোভিড ১৯ আমাদের শ্বাসযন্ত্রে আঘাত করে। প্রথমেই তারা আমাদের শ্বাসযন্ত্র দুর্বল করে দেয়। সেখানেই মানুষ অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়ে। কিন্তু প্রাণায়াম আমাদের শ্বাসযন্ত্রকে শক্তিশালী করে তুলতে সাহায্য করে। প্রাণায়ামের একাধিক পদ্ধতি রয়েছে।”
নরেন্দ্র মোদী এদিন তাঁর বার্তায় আরও বলেন, “বিশ্বজুড়ে অনেক করোনা আক্রান্ত রোগী যোগের মাধ্যমে উপকার পাচ্ছেন। যোগ শুধুমাত্র মানুষের শারীরিক সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে তাই নয়, যোগের মাধ্যমে মানুষের মনোবল অনেক বেড়ে যায়। ফলে করোনার মতো শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ইচ্ছা অনেক প্রবল হয়। মানুষের আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়ে। সেইসঙ্গে যোগ মানুষের মনে শান্তি নিয়ে আসে।”
২০১৫ সাল থেকে ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে পালন হয়ে আসছে। কিন্তু এদিনই প্রথম যোগ দিবসের সঙ্গে বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণও রয়েছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, আজ এই গ্রহণ এত দীর্ঘ সময় ধরে হতে চলেছে যা গত ১০০ বছরে দেখা যায়নি। সেইসঙ্গে এই গ্রহণের সময় যে বৃত্তাকার রিং তৈরি হবে তার মাত্রা দেখে একে শতাব্দীর গভীরতম সূর্যগ্রহণ বলছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।
করোনা সংক্রমণের কারণে এবার ডিজিটাল হয়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। তাই এবারের থিম হল, “বাড়িতে যোগাভ্যাস করুন, পরিবারের সঙ্গে যোগাভ্যাস করুন।” যদিও উত্তরাখণ্ডে গঙ্গার ঘাটে যোগাভ্যাস করবেন যোগগুরু বাবা রামদেব। সেইসঙ্গে অনলাইনেই দেশের নামী দামি অনেকেই যোগ করে দেখাবেন বলে ঠিক হয়েছে।