দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে সব রকম চ্যালেঞ্জের মোকাবিলার জন্য অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান রাফাল তৈরি বলেই জানালেন ভারতীয় বায়ুসেনার পাইলট তথা স্কোয়াড্রন লিডার সার্থক কুমার। তিনি রাফাল জেট চালান। রাফাল যুদ্ধবিমান এই মুহূর্তে লেহ থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত সব চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে তৈরি বলেই জানিয়েছেন তিনি।
ভারতীয় বায়ুসেনা ও ফরাসি বায়ুসেনার যৌথ মহড়া ‘ডেজার্ট নাইট-২১’এ অংশ নিয়েছিলেন সার্থক কুমার। ২০ জানুয়ারি থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজস্থানের যোধপুরের এয়ার ফোর্স স্টেশনে এই মহড়া চলছে।
শনিবার মহড়া শেষে সংবাদসংস্থা এএনআইকে সার্থক বলেন, “লেহ থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত যে কোনও চ্যালেঞ্জের জন্য তৈরি ভারতীয় বায়ুসেনা। যে কোনও অপারেশনের জন্য প্রস্তুত রাফাল। শুধুমাত্র দেশের প্রতিটি কোণায় নয়, বিশ্বজুড়ে কাজ করতে পারে রাফাল। কোনও ফোর্থ বা ফিফথ জেনারেশন যুদ্ধবিমান যে কাজ করতে পারে সেই একই কাজ করতে পারে রাফাল।”
স্কোয়াড্রন লিডার আরও বলেন, “ভারতীয় বায়ুসেনায় এখনও পর্যন্ত সবথেকে দ্রুতগতি সম্পন্ন ও উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন যুদ্ধবিমান হল এই রাফাল।”
যোধপুরে মহড়ায় ভারতীয় রাফালের সঙ্গে ফরাসি রাফালও অংশ নিয়েছিল। দুই দেশের পাইলটদের মধ্যে তুলনা করতে গিয়ে সার্থক কুমার বলেন, “ভারতীয় বায়ুসেনায় রাহালের গুরুত্ব বোঝানোর জন্য এই মহড়ার খুব প্রয়োজন ছিল। প্রতিটি মহড়ার মূল উদ্দেশ্য থাকে একে অপরকে সহযোগিতা ও একে অপরের থেকে শেখা। এর থেকেই বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আমাদের দক্ষতা আরও পারে। এই যৌথ মহড়া খুব সফল হয়েছে।”
সার্থক আরও বলেন, “রাফালের ককপিটে ফরাসি পাইলটদের সঙ্গে আমরা বসেছিলাম। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ওরা কী করছে সেটা দেখে আমরা শিখছিলাম, আবার আমাদের দেখেও ওরা শিক্ষা নিচ্ছিল। আমাদের দু’দেশের পাইলটদের জন্যই এটা বড় শিক্ষা।”
তবে শুধু রাহাল না, এই মহড়ায় ভারতীয় বায়ুসেনার মিরাজ ২০০০, সুখোই ৩০ এমকেআই, আইএল-৭৮ ফ্লাইট রিফুয়েলিং এয়ারক্রাফট, এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম ও এইডাবলু অ্যান্ড সি যুদ্ধবিমানও অংশ নিয়েছিল। অন্যদিকে ফ্রান্সের তরফে রাফাল ছাড়া এয়ারবাস এ-৩৩০, মাল্টি রোল ট্যাঙ্কার ট্রান্সপোর্ট, এ-৪০০এম ট্যাক্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট প্রভৃতি অংশ নিয়েছিল।