দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল সব ধরণের গণপরিবহণ। শুধু তাই নয়, জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব ধরণের গাড়ির যাতায়াত বন্ধ করে দেওয়া হয়। তার ফলে একদম কমে যায় জ্বালানি তেলের চাহিদা। ধীরে ধীরে গণপরিবহণ ও অন্যান্য পরিবহণ শুরু হওয়ার পর থেকে আবার বাড়তে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের চাহিদা। কিন্তু তারপরেও নভেম্বর মাসে আগের বছরের তুলনায় জ্বালানি তেলের চাহিদা ৫ শতাংশ কমেছে বলেই জানা গিয়েছে।
ভারতের তেলমন্ত্রকের পেট্রোলিয়াম প্ল্যানিং অ্যান্ড অ্যানালিসিস সেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চলতি বছর নভেম্বর মাসে মোট জ্বালানি তেলের চাহিদা হয়েছে ১৭.৮৩ মিলিয়ন টন। গত বছর নভেম্বর মাসের তুলনায় তা ৫ শতাংশ কম।
অবশ্য মোট জ্বালানি তেলের চাহিদা কমলেও কিছু কিছু দ্রব্যের চাহিদা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে বলেই জানিয়েছে এই পরিসংখ্যান। যেমন গ্যাসোলিন বা পেট্রোলের চাহিদা আগের বছরের তুলনায় ৫.২ শতাংশ বেড়ে ২.৬৭ মিলিয়ন টন হয়েছে। তেমনই বিক্রি বেড়েছে রান্নার গ্যাসেরও। রান্নার গ্যাসের বিক্রি ৩.৫ শতাংশ বেড়ে ২.৩৫ মিলিয়ন টন হয়েছে। ন্যাপথার বিক্রি ৭.৩ শতাংশ বেড়ে ১.৩৫ মিলিয়ন টন হয়েছে।
রাস্তা তৈরির জন্য ব্যবহার হওয়া মিটুমেনেরও বিক্রি আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। চলতি নভেম্বর মাসে তা বেড়েছে ২৫.১ শতাংশ। অর্থনীতিবিদরা জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণের কারণে রাস্তা তৈরির কাজ বন্ধ ছিল। বর্তমানে তা শুরু হয়েছে। প্রশাসনিক স্তরে এই কাজের জন্য অনেক পরিমাণ বিটুমেন লাগছে। তাই সেটা বিক্রির পরিমাণও বাড়ছে।