দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতের সঙ্গে পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে জুড়ে দিয়ে একটাই দেশ করলে তাঁদের দল সেই পদক্ষেপকে স্বাগত জানাবে বলেই মন্তব্য করলেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টি বা এনসিপি নেতা নবাব মালিক। এমনকি ভারতের সঙ্গে পড়শি দুই দেশকে জুড়ে দেওয়া উচিত বলেই জানিয়েছেন তিনি।
সংবাদসংস্থা এএনআইকে নবাব মালিক বলেন, “দেবেন্দ্রজি বলেছিলেন একটা সময় আসবে যখন করাচি ভারতের অংশ হবে। আমরা বলছি ভারতের সঙ্গে পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে জুড়ে দেওয়া উচিত। যদি বার্লিনের প্রাচীর ভেঙে দেওয়া সম্ভব হয় তাহলে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ কেন এক হতে পারবে না? যদি বিজেপি চায় এই তিন দেশকে এক করে একটা বড় দেশ করতে, তাহলে আমরা সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাব।”
একজন মন্ত্রীর মুখে এই কথায় অবশ্য শুরু হয়েছে বিতর্ক। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি হয়ে কীভাবে এরকম কথা বললেন নবাব মালিক। কারণ, তিনটি দেশই স্বাধীন। কেউ কারও অধীনে নয়। আর তারমধ্যে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের কথা সবাই জানে। তাহলে তিনটে দেশকে জুড়ে দেওয়ার প্রসঙ্গ আসছে কীভাবে। এই কথা বলে উলটে তিনি নিজেকেই হাস্যকর করে তুলেছেন বলে মন্তব্য তাঁদের।
অবশ্য সামনের বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নির্বাচনেও মহা বিকাশ আঘাদি সরকারের অংশ হিসেবেই থাকতে চার এনসিপি, এমনটাই জানিয়েছেন নবাব। এই জোটে রয়েছে শিবসেনা, কংগ্রেস ও শরদ পাওয়ারের এনসিপি। নবাব বলেন, “বিএমসির নির্বাচনের এখনও ১৫ মাস বাকি রয়েছে। প্রত্যেক দলের অধিকার রয়েছে নিজেদের দলের হয়ে কাজ করার। সেটাই তারা করছে। আমরাও আমাদের দলকে মজবুত করছি। আমরা চাই যে তিনটি দল একসঙ্গে সরকার চালাচ্ছে তারা একসঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিক।”
মহারাষ্ট্রে ফের করোনার নতুন ওয়েভ শুরু হলে তা সুনামির মতো হবে বলেই রাজ্যবাসীকে সতর্ক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। কিন্তু এই মুহূর্তে লকডাউনের আর কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছেন উদ্ধব মন্ত্রিসভার সদস্য নবাব মালিক। তিনি বলেন, “আমাদের মন্ত্রিসভার তরফে সব জেলায় নির্দেশিকা পাঠিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নতুন করে করোনার ওয়েভ শুরু হলে তার জন্য আমাদের আগে থেকেই তৈরি থাকতে হবে। আমরা সংক্রমণ রুখতে সফল হয়েছি। কিছু রাজ্যে সংক্রমণ বাড়ায় তারা নিষেধাজ্ঞা জারি করছে। মহারাষ্ট্রের অবস্থা সেরকম নয়। লকডাউন করার মতো কোনও সম্ভাবনা মহারাষ্ট্রে তৈরি হয়নি।”