দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণ থেকে মুক্তির পথ খুঁজতে নিরন্তর গবেষণা চলছে সেখানে। আক্রান্তের সংখ্যা, এলাকার বিন্যাস বিশ্লেষণ করে ঘণ্টায় ঘণ্টায় চলছে পর্যালোচনা। সেই ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ তথা আইসিএমআরের এক বর্ষীয়ান বিজ্ঞানীর শরীরে থাবা বসাল নভেল করোনাভাইরাস।
আইসিএমআরের মুম্বইয়ের দফতরের এই কর্মীর শরীরে কোভিড পজিটিভ মিলেছে। তিনি কয়েকদিন আগে দিল্লিতে গিয়েছিলেন সদর দফতরে। সেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন এবং নতুন স্টাডি নিয়ে বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন এই বিজ্ঞানী।
মুম্বই ফিরে কাজে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু গত তিন-চার দিন ধরে তাঁর শরীরে কোভিডের উপসর্গ দেখা যাচ্ছিল। রবিবার তাঁর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে.পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। রিপোর্ট আসে পজিটিভ। এরপর তাঁর সংস্পর্শে আসা আরও কয়েকজন জুনিয়র গবেষককে কোয়ারেন্টাইনে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুম্বইয়ের আইসিএমআর দফতরের একাংশ সিল করে দিয়েছে প্রশাসন। চলছে স্যানিটাইজারের কাজ।
দিল্লির ওই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন আইসিএমআরের ডিরেক্টর জেনারেল ডাক্তার বলরাম ভার্গবও। আইসিএমআরের তরফে সোমবার নির্দেশিকা জারি করে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ নিয়ে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁরা বাদ দিয়ে বাকি কাউকে আগামী তিনদিন দফতরে আসতে হবে না।
অন্যদিকে করোনা এবার থাবা বসাল নীতি আয়োগেও। নীতি ভবনের এক কর্মীর শরীরে কোভিড সংক্রমণের হদিশ মিলেছে। তাঁকে এইমস হাসপাতালের কোভিড বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে নীতি ভবনের তিনতলা সিল করে দেওয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে স্যানিটাইজেশনের কাজ।
গতকালই বিশ্বের প্রথম ১০ করোনা আক্রান্ত দেশের মধ্যে ৯ নম্বর থেকে এক ধাপ এগিয়ে ৮ নম্বরে উঠে এসেছিল ভারত। তার কয়েক ঘণ্টা পরেই আরও এক ধাপ এগিয়ে ৭-এ উঠে এল এই দেশ। আক্রান্তের সংখ্যায় ফ্রান্সকে টপকে গিয়েছে ভারত।