দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ লাদাখে চীন সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর মোতায়েন ভারতীয় সেনার জন্য রসদ নিয়ে গেল ভারতীয় বায়ুসেনার বিমান সি-১৭ গ্লোবমাস্টার। লেহ বিমানবন্দরে অবতরণ করল ভারতীয় বায়ুসেনার এই বিমান।
এই ঘটনার একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের তরফে। সেখানে দেখা যাচ্ছে লেহর উচ্চতায় অবতরণ করছে একটি বিশাল বিমান। তার মধ্যে করেই সেনাবাহিনীর জন্য রসদ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই গ্লোবমাস্টারকে বলা হয় জাম্বো ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট। কারণ এই বিমানের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে রসদ নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়। যে কোনও আবহাওয়ায় রসদ নিয়ে যেতে সক্ষম এই সি-১৭ গ্লোবমাস্টার।
https://twitter.com/ANI/status/1314860646492639233?s=19
সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, এই বিমানের মাধ্যমে সেনার জন্য সব ধরনের সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ তার মধ্যে একদিকে যেমন খাবার, জ্বালানী, শীতের গরম কাপড় রয়েছে, অন্যদিকে তেমন ট্যাঙ্ক, মেশিনগান, গোলাবারুদ এবং অন্যান্য অত্যাধুনিক অস্ত্রও নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চিনা সেনার মোকাবিলায় যাতে ভারতীয় জওয়ানদের কোনও সমস্যা না হয় সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে বাহিনীর তরফে।
জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে পরিকল্পনা করেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এম এম নারাভানে। সেনার বেশ কয়েকজন কম্যান্ডারের সঙ্গে বসে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। শীতের মধ্যে লাদাখ সীমান্তে মোতায়েন সেনার যাহায্য কী ভাবে করা যায় সেই নিয়ে জুলাই মাসের মাঝামাঝি বৈঠক করেন সেনাপ্রধান। সেই মতো এই রসদ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে সেনার কাছে।
এই কাজে সেনাবাহিনীর একাধিক ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট ব্যবহার করা হয়েছে। তার মধ্যে সি-১৩০জে সুপার হারকিউলিস, সি-১৭ গ্লোমমাস্টারের মতো বিমান রয়েছে। এদের মাধ্যমেই অত্যাধুনিক অস্ত্র ও রসদ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে লেহর উচ্চতায়।
ভারতীয় বায়ুসেনার এক উল্লেখযোগ্য অঙ্গ এই সি-১৭ ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট। কারণ বিভিন্ন ধরনের মিশনে ব্যবহার করা হয় এই এয়ারক্রাফট। শুধু সেনাবাহিনীকে সাহায্য করা নয়, শান্তি স্থাপনের কাজে, মানবিকতার ক্ষেত্রে ও ত্রাণের কাজেও এই এয়ারক্রাফট ব্যবহার করা হয়। ২০১৩ সালে ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় এই সি-১৭ গ্লোবমাস্টার। তারপর থেকে নিরলস কাজ করে চলেছে সে। ফের একবার তা দেখা গেল।