দ্য ওয়াল ব্যুরো: দু’দিনে দু’বার। ফের একবার যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে পঞ্জাবে খেতের মধ্যেই ইমারজেন্সি ল্যান্ডিং করতে হল ভারতীয় বায়ুসেনার অ্যাপাচে অ্যাটাক হেলিকপ্টারকে। জানা গিয়েছে, হেলিকপ্টারের দু’জন পাইলটই সুরক্ষিত আছেন। পাঠানকোটে বায়ুসেনার ক্যাম্পে যোগাযোগ করেছে পুলিশ। পাইলটদের সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হেলিকপ্টারটিরও কোনও ক্ষতি হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।
বায়ুসেনা সূত্রে খবর, ওড়ার কিছুক্ষণ পরেই হেলিকপ্টারে কিছু যান্ত্রিক ত্রুটি লক্ষ্য করেন পাইলট। তিনি সঙ্গে সঙ্গে পঞ্জাবে খেতের মধ্যেই ইমারজেন্সি ল্যান্ডিং করান। কী সমস্যা হয়েছে তা দেখার জন্য টেকনিক্যাল টিম সেখানে পৌঁছেছে বলে খবর। যাতে কোনও সমস্যা না হয়, তাই গোটা জায়গাটা ঘিরে রেখেছে পুলিশ।
এই অ্যাপাচে অ্যাটাক হেলিকপ্টার আমেরিকা থেকে কিনেছে ভারত। এই হেলিকপ্টারগুলিকে বলা হয় ট্যাঙ্ক বাস্টার। সম্প্রতি ১.১ বিলিয়ন ডলারের নতুন ডিল আমেরিকার সঙ্গে করেছে ভারত। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে এই হেলিকপ্টারের প্রথম ব্যাচ ভারতে আসে। আরও ২২টি হেলিকপ্টারের অর্ডার দিয়েছে ভারত।
বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী অ্যাটাক হেলিকপ্টার বলা হয় এই অ্যাপাচে হেলিকপ্টারকে। আমেরিকা অনেক যুদ্ধেই এর ব্যবহার করেছে। ভারতীয় বায়ুসেনার ক্ষেত্রেও এই হেলিকপ্টার কার্যকর হবে বলে বরাত দিয়েছে ভারত।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা নাগাদ হিন্দন এয়ারবেস থেকে উড়ে যায় বায়ুসেনার একটি হেলিকপ্টার। দু’আসনের এই হেলিকপ্টারে পাইলট ছাড়াও এক জওয়ান ছিলেন। কিছুদূর যাওয়ার পরেই যান্ত্রিক গোলযোগ বুঝতে পারেন পাইলট। তিনি এয়ারবেসে খবর দিয়ে ইমারজেন্সি ল্যান্ডিংয়ের অনুমতি চান। সেই সময় বেসে ফিরে আসা মুশকিল ছিল বলে ইস্টার্ন পেরিফেরাল এক্সপ্রেওয়ের উপর মাভিকালান গ্রামের কাছে ল্যান্ডিং করে সেই হেলিকপ্টার।
কিছুক্ষণ পরেই অবশ্য হিন্দন এয়ারবেস থেকে আর একটি হেলিকপ্টার সেখানে আসে। সেই হেলিকপ্টারে করে টেকনিক্যাল টিম আসে। তাঁরা খারাপ হয়ে যাওয়া হেলিকপ্টারটিকে পরীক্ষা করে দেন। ২৫ মিনিট পরে তা ঠিক হয়। তারপরে দুটি হেলিকপ্টারই নিজের নিজের গন্তব্যে উড়ে যায় বলে খবর।