Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?

রুক্ষ রাজস্থানে তিন দশক ধরে নিজেদের জলের সংস্থান করছে এই গ্রাম, কীভাবে!

দ্য ওয়াল ব্যুরো : প্রতি বছরই ক্ষরার সময় জলের সমস্যা দেখা যায় এই রাজ্যে। কখনও কখনও জলসঙ্কট চরমে ওঠে। ফলে মানুষ, গবাদি পশুর পানীয় জল থেকে শুরু করে চাষ-আবাদ, সব কিছুর উপরেই প্রভাব পড়ে। আর তাই এই সমস্যা দূর করতে নিজেরাই ব্যবস্থা করে নিয়েছে রাজস

রুক্ষ রাজস্থানে তিন দশক ধরে নিজেদের জলের সংস্থান করছে এই গ্রাম, কীভাবে!

শেষ আপডেট: 14 July 2019 12:47

দ্য ওয়াল ব্যুরো : প্রতি বছরই ক্ষরার সময় জলের সমস্যা দেখা যায় এই রাজ্যে। কখনও কখনও জলসঙ্কট চরমে ওঠে। ফলে মানুষ, গবাদি পশুর পানীয় জল থেকে শুরু করে চাষ-আবাদ, সব কিছুর উপরেই প্রভাব পড়ে। আর তাই এই সমস্যা দূর করতে নিজেরাই ব্যবস্থা করে নিয়েছে রাজস্থানের লাপোরিয়া গ্রাম। যেখানে গত বছর রাজস্থানের ৩৩ জেলার মধ্যে ১৯ জেলায় ক্ষরা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সেখানে গত ৩০ বছর ধরে এই গ্রামে কখনও জলের সমস্যা হয়নি। কিন্তু কীভাবে? জয়পুর থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই গ্রামে জল সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা রয়েছে। এই কাজের প্রধান দায়িত্বে থাকা ৬৩ বছর বয়সী বৃদ্ধ লক্ষ্মণ সিং জানিয়েছেন, "আমরা কোনও দিন জলের সমস্যায় পড়িনি। এমনকী ক্ষরার সময় আমরা পাশের গ্রামে জল দিই।" জল সংরক্ষণ করে রাখার জন্য গ্রামীণ বিকাশ নবযুবক মণ্ডল নামের একটি সংগঠনও তৈরি করা হয়েছে। গ্রামের 'ওয়াটার ওয়ারিয়র্স'রা চাষের জমি ও পশুপালন জমির কাছে দুটো করে 'চৌকা' বানিয়ে রেখেছে। এই চৌকা হলো দু'ফুট উঁচু মাটির দেওয়াল। মাটির এই দেওয়ালগুলির ফলে বৃষ্টির জল দ্রুত বেরিয়ে যেতে পারে না। ধীরে ধীরে তা মাটির ভিতরে প্রবেশ করে। ফলে মাটির ভিতরের জলস্তর বাড়ে। এছাড়া মাটি খুঁড়ে ছোট ছোট গর্ত করা হয়। এই গর্তগুলোর মধ্যে জল জমে। একটা গর্ত ভর্তি হয়ে গেলে জল পাশের গর্তে চলে যায়। এর ফলে মাটির ভিতরের জলস্তর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এইসব গর্তের মধ্যে জল জমা করেও রাখা হয়। জল জমে যাওয়ার পর সেই জল খালের মধ্যে করে তিনটে বড় জলাধারে জমা করা হয়। দুটো জলাধারের জল খাওয়ার জন্য ও একটি জলাধারের জল চাষের জন্য ব্যবহার করা হয়। লক্ষ্মণ সিং জানিয়েছেন, "আমাদের গ্রামে এটা নিয়ম করা হয়েছে। জল সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। আনাসাগর ( চাষের জন্য ব্যবহৃত জলাধার ) থেকে ১৪০০ বিঘা জমির চাষ হয়। আমাদের গ্রামের পশুরা কখনও জলের কষ্টে ভোগে না। আমরা চাকরির জন্য শহরে যাই না। গরু, মহিষ, ছাগল পালন করলে আমাদের ভালো চলে যায়। আমাদের গবাদি পশুর ফার্ম রয়েছে। এই ফার্ম থেকে মাসে ন্যূনতম ১২ হাজার টাকা রোজগার হয়।" অবশ্য লাপোরিয়ার থেকে শিক্ষা নিয়ে আশেপাশের প্রায় ৫৮টি গ্রামে এই জল সংরক্ষণের পদ্ধতি চালু হয়েছে। গ্রামীর লোকেরা নিজেরাই সেই কাজ করছে। লাপোরিয়া গ্রামের বাসিন্দাদের লড়াইকে দেখে শিক্ষা নেওয়া শুরু করেছে তারা।

```