দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বামীর তিন তালাক দেওয়ার পরেই বন্দুকের ভয় দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ করলেন শ্বশুর। ঘটনার চারদিন পরে পুলিশে ফোন করেন ওই তরুণী। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা হয়েছে মামলা।
ঘটনাটি রাজস্থানের আলোয়ার জেলার চোপাঙ্কি থানা এলাকার। পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার তাদের কাছে একটি ফোন আসে। ফোনের উল্টোদিকে থাকা এক তরুণী জানান, তাঁকে তাঁর স্বামী তিন তালাক দিয়েছেন। তারপর তাঁর শ্বশুর বন্দুক দেখিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করেছেন। কোনওরকমে তাঁদের চোখ এড়িয়ে পুলিশকে ফোন করছেন তিনি। এই খবর পেয়েই পুলিশ সেখানে যায়। উদ্ধার করা হয় তরুণীকে। কিন্তু ততক্ষণে তাঁর স্বামী ও শ্বশুর গা ঢাকা দিয়েছেন।
২৫ বছরের ওই তরুণীর অভিযোগ, ঘটনাটি ২২ নভেম্বরের। বিয়ের পর থেকেই পণ নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে অত্যাচার করা হত তাঁকে। কোনওরকমে মুখ বুজে সব কিছু সহ্য করছিলেন তিনি। ২২ তারিখ সন্ধেবেলা তাঁর স্বামী তাঁকে তিন তালাক দিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। কিন্তু তিনি বেরোনোর আগেই তাঁর শ্বশুর ঘরে ঢুকে বন্দুক দেখিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করেন। মুখ না খোলার ভয় দেখানো হয় তাঁকে। শ্বশুরবাড়িতে একটি ঘরে তাঁকে বন্ধ করে রাখা হয়। কোনওরকমে মঙ্গলবার এক প্রতিবেশীর সাহায্যে পুলিশকে ফোন করেন তিনি। খবর পেয়েই তাঁর স্বামী ও শ্বশুর পালিয়ে যায়।
ভিওয়ান্ডি জেলার ডেপুটি পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, এই ঘটনার পরেই একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে তরুণীর স্বামী ও শ্বশুরের বিরুদ্ধে। আইপিসি ও তিন তালাক বিরোধী আইনের একাধিক ধারায় অভিযোগ করা হয়েছে। তরুণীকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।