আজ থেকে রাজ্যের মধ্যে বাস পরিষেবা চালু করল হরিয়ানা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনের তৃতীয় পর্যায় প্রায় শেষের মুখে। চতুর্থ পর্যায়ের জন্য লকডাউন বাড়ানো হলেও তা কতদিনের জন্য বাড়ানো হবে, বা কী কী ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে তা এখনও জানানো হয়নি। তারমধ্যেই প্রথম রাজ্য হিসেবে বাস পরিষেবা চালু করল হরিয়ানা। শুক
শেষ আপডেট: 16 May 2020 10:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনের তৃতীয় পর্যায় প্রায় শেষের মুখে। চতুর্থ পর্যায়ের জন্য লকডাউন বাড়ানো হলেও তা কতদিনের জন্য বাড়ানো হবে, বা কী কী ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে তা এখনও জানানো হয়নি। তারমধ্যেই প্রথম রাজ্য হিসেবে বাস পরিষেবা চালু করল হরিয়ানা। শুক্রবার এই ঘোষণা করা হয় হরিয়ানা সরকারের তরফে। রাজ্যের ভিতরে বিভিন্ন জেলার মধ্যে চলবে এই বাস।
হরিয়ানার পুলিশ প্রধান মনোজ যাদব জানিয়েছেন, “আমরা অন্যান্য রাজ্যে অনেক মানুষকে পাঠাচ্ছি। গত এক সপ্তাহে আমরা এক লক্ষের বেশি পরিযায়ী শ্রমিককে পাঠিয়েছি। এর মধ্যেই আমরা খবর পেয়েছি আমাদের রাজ্যেই বিভিন্ন জেলায় অনেকে আটকে রয়েছেন। তাঁরা কোনওভাবেই বাড়ি ফিরতে পারছেন না। তাই আমরা ঠিক করেছি রাজ্যের মধ্যে বাস পরিষেবা চালু হবে।”
জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট স্টপেজেই বাস থামবে। যে কোনও জায়গায় বাস থামানো যাবে না। অনলাইনে টিকিট বুক করতে হবে। প্রথমে ২৯টি রুটে বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল হরিয়ানা সরকার। কিন্তু ন’টি রুটে টিকিট বিক্রি না হওয়ায় ওই রুটগুলিতে বাস পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে।
২৩ মার্চ থেকেই হরিয়ানায় বাস পরিষেবা বন্ধ করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর। তারপর এতদিন পরে তা ফের চালু করা হল।
শনিবার থেকেই শুরু হয়েছে এই বাস পরিষেবা। প্রথম দিন আটটি ডিপো থেকে ১৯৬ জন যাত্রীকে নিয়ে বিভিন্ন রুটে বাস চলেছে। এখনও পর্যন্ত টিকিট বিক্রি করে ৪২৫৮০ টাকা আয় হয়েছে সরকারের।
জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র নন-এসি বাস চলাচল শুরু হয়েছে। বাসের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে। ৫২ আসনের বাসে ৩০ জন যাত্রীর বেশি নেওয়া হচ্ছে না।
হরিয়ানাতে বেশ কিছু কারখানাকেও কাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই রাজ্যে ৩৫ হাজারের বেশি কারখানা রয়েছে। ইতিমধ্যেই অনেক কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়েছে।
পড়শি রাজ্য দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও পরিবহণ শুরু করার জন্য কেন্দ্রের কাছে অনুমতি চেয়েছেন। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে একটি চিঠি লিখে তিনি জানিয়েছেন, শহরের শপিং মলগুলি খোলার অনুমতি দেওয়া হোক। শুধুমাত্র ৩৩ শতাংশ দোকান খোলা হবে মলের মধ্যে। মেট্রো পরিষেবা চালু করারও আবেদন জানিয়েছেন তিনি।