শেষ আপডেট: 28 February 2020 13:54
সে তো তার নিজের ধর্ম বেছে নেয়নি
তার ধর্ম সেটাই ছিল, যা মা-বাবার থেকে সে পেয়েছিল
কেউ তো নিজের মা-বাবাকে বেছে নিতে পারে না
দেশও কেউ নির্বাচন করে না, দেশ কারও ইচ্ছে মতো কাজও করে না
তার তো মাত্র ৯’বছর বয়স ছিল
তাহলে কেন এই নির্মম হিংসা তাকে খুন করল
ফেসবুকে গুলজারের এই কবিতা প্রকাশ পাওয়ার পরেই তা ভাইরাল। অনেকেই এই কবির সমর্থনে মুখ খুলেছেন। কেউ বলছেন, এভাবে হয়তো দিল্লির অবস্থা আর কেউ বোঝাতে পারতেন না। কেউ আবার বলেন, সত্যিই তো, সবাই তো শান্তিই চান। অনেকের মতে, হিন্দু-মুসলিম দুই ধর্মের মানুষের কাছেই শান্তির আহ্বান করেছেন গুলজার। এদিকে শুক্রবার সকালে আর এক কবি ও গীতিকার জাভেদ আখতারের টুইট ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়। টুইট করে আখতার বলেন, “দিল্লি জ্বলছে। অথচ এর মধ্যে শুধুমাত্র একজনের নামে এফআইআর হল। কেন তাঁর নাম তাহির হুসেন বলে? এটাই দিল্লি পুলিশের আসল রূপ।” এই টুইটের পরেই শুরু হয় বিতর্ক। তার কিছুক্ষণ পরে ফের টুইট করেন আখতার। সেখানে তিনি লেখেন, “আমার কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। আমি বলিনি, কেন তাহির হুসেনের নামে এফআইআর হয়েছে। আমি বলেছি শুধু একমাত্র তাহিরের নামেই কেন এফআইআর হয়েছে। যেখানে আদালত বলছে যারা উস্কানিমূলক মন্তব্য করছে, তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর করতে সেখানে শুধুমাত্র একজনের নামেই তা করা হচ্ছে। এটা নিয়েই আমার প্রশ্ন।” জাভেদ আখতারের এই টুইটে যেভাবে তাঁর বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন নেটিজেনরা, গুলজারের ক্ষেত্রে ঠিক তার বিপরীত ছবি দেখা যাচ্ছে। সবাই বলছেন, একজন শিল্পীর উচিত তাঁর শিল্পের মাধ্যমে সবার মধ্যে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। সেটাই করেছেন গুলজার। সেইজন্যই তো তাঁকে সবাই এত শ্রদ্ধা করে। এর আগে বৃহস্পতিবার বিখ্যাত রক ব্যান্ড ‘পিঙ্ক ফ্লয়েড’-এর প্রাক্তন সদস্য রজার ওয়াটার্স এক জনসভায় ভারতীয় কবি ও সমাজকর্মী আমির আজিজের কবিতা ‘সব ইয়াদ রাখা জায়েগা’-র ইংরেজি তর্জমা পাঠ করেন। তিনি নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদও জানান।