দ্য ওয়াল ব্যুরো: আনলকের দ্বিতীয় পর্বের দ্বিতীয় দিনেই পর্যটকদের জন্য খুলে যাচ্ছে গোয়া। আগামী কাল, বৃহস্পতিবার থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে সমুদ্র তীরের ছোট্ট রাজ্যটিকে। বুধবার একথা ঘোষণা করেছেন গোয়ার পর্যটনমন্ত্রী মনোহর আজগাওঙ্কর। তবে শুধু দেশীয় পর্যটকরাই যেতে পারবেন বেড়াতে।
দেশের যে ক’টি পর্যটন কেন্দ্র সারা বছর পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকে গোয়া তার মধ্যে অন্যতম। মার্চ মাস থেকে লকডাউনের কারণে বন্ধ হয়েছিল পর্যটন। কিন্তু সতর্কতা মেনে আনলক হওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পর্যটন চালু হচ্ছে সেখানে।
পর্যটনমন্ত্রী জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার নির্দেশির বিধি মেনেই ২৫০টি হোটেলকে প্রস্তুত করা হয়েছ। সেখানেই এসে উঠতে পারবেন পর্যটকরা। ধাপে ধাপে আরও হোটেল খোলা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তবে প্লেনে চেপে বা মহারাষ্ট্রের কোনও জায়গা থেকে দুম করে গাড়ি নিয়ে গোয়া পৌঁছে গেলেই হবে না। রওনা হওয়ার আগে অনেকগুলি পর্ব পেরিয়ে তারপর সৈকত শহরে যেতে পারবেন পর্যটকরা। এই সময়ে যাঁরা গোয়ায় বেড়াতে যাবেন তাঁদের আগে থেকে হোটেল বুকিং করতে হবে। তারপর সংশ্লিষ্ট হোটেল কর্তৃপক্ষ পর্যটকদের নাম, ঠিকানা-সহ যাবতীয় তথ্য পাঠাবে রাজ্যের পর্যটন দফতরকে। তারা সবুজ সংকেত দিলে তবেই গোয়ায় যেতে পারবেন পর্যটকরা। তবে যে রাজ্য থেকেই পর্যটকরা যান তাঁদের কোভিড ফ্রি সার্টিফিকেট নিয়ে তবেই গোয়ায় যেতে পারবেন।
লকডাউনের ফলে একাধিক পর্যটন ভিত্তিক রাজ্য অর্থনৈতিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে রয়েছে। তার মধ্যে যেমন গোয়া রয়েছে তেমনই রয়েছে উত্তরাখণ্ড। সিকিম, মেঘালয়ের মতো উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতেও একই ছবি। তবে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু রাজ্য নতুন করে পর্যটন শুরুর পরিকল্পনা নিয়েছে। উত্তরাখণ্ড সরকার আলাদা করে অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করেছে। বাংলাতেও দার্জিলিং যাওপ্যার ক্ষেত্রে এখন আর বাধা নেই। কিন্তু একাধিক বিধি মেনে তবেই ওঠা যাবে শৈল শহরে।