
শেষ আপডেট: 2 October 2018 19:45
গোটা পরিস্থিতি বুঝে গাজিয়াবাদের সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। যাতে কোনও অপ্রিতীকর পরিস্থিতি না ঘটে সেকারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।
কৃষি ঋণ মুকুব, বিদ্যুৎ এবং পেট্রোপণ্যে ভর্তুকি, ৬০ বছরের বেশি বয়সী কৃষকদের জন্য পেনশন চালু এবং স্বামীনাথন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করা সহ ১১ দফা দাবিতে উত্তরপ্রদেশের বস্তি, হরিদ্বার, গণ্ডা-সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর কৃষক শুরু হয়। দিল্লিতে ঢোকার আগেই দিল্লি-উত্তর প্রদেশ সীমানায় আটকে দেওয়া হয় কৃষক মিছিল। ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন নামে যে সংগঠনটি এই কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল তার নেতা নরেশ টিকায়েত বলেন, “আমরা তো শৃঙ্খলা ভাঙিনি। আমাদের থামিয়ে দেওয়া হল কেন? আমরা সরকারের কাছে দাবিদাওয়ার কথা জানাতে চেয়েছিলাম। নিজেদের দেশের সরকার যদি আমাদের কথা না শোনে, তা হলে কি পাকিস্তান বা বাংলাদেশে যাব?”
গত মার্চ মাসেও নাসিক থেকে মুম্বই পর্যন্ত কিষান লং মার্চে পা মিলিয়েছিলেন ৩৫ হাজার কৃষক। কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল বাণিজ্যনগরী। বিক্ষোভের তীব্রতায় সমস্ত দাবি মেনে নিতে বাধ্যহয় মহারাষ্ট্রের সরকার। পর্যবেক্ষকদের মতে। প্রায় একই কায়দায় উত্তরপ্রদেশের কৃষকরাও এই মিছিল করেছে। এখন দেখার বুধবার কী আকার ধারণ করে রাজধানীর উপকণ্ঠে কৃষক বিক্ষোভ।
