Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

রাজ্যসভায় বিরোধীদের ‘শেম শেম’ স্লোগান, তার মাঝেই শপথ রঞ্জন গগৈয়ের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছিল রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের মনোনয়নে এবার রাজ্যসভায় যাচ্ছেন দেশের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। তারপর থেকেই সমালোচনার ঝড় বইতে শুরু করেছিল। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে শ

রাজ্যসভায় বিরোধীদের ‘শেম শেম’ স্লোগান, তার মাঝেই শপথ রঞ্জন গগৈয়ের

শেষ আপডেট: 19 March 2020 07:32

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছিল রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের মনোনয়নে এবার রাজ্যসভায় যাচ্ছেন দেশের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। তারপর থেকেই সমালোচনার ঝড় বইতে শুরু করেছিল। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে শপথ নিলেন গগৈ। আর সেই শপথগ্রহণের মাঝেই বিরোধীদের ‘শেম শেম’ চিৎকারে উত্তাল হল রাজ্যসভার অধিবেশন। এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি শপথবাক্য পাঠ শুরু করতেই কংগ্রেস-সহ বিরোধী সাংসদরা হট্টগোল জুড়ে দেন সংসদে। তাঁদের বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার সঙ্গে আপস করেই গগৈ মনোন্যন পেয়েছেন। ঐতিহাসিক অযোধ্যা মামলার দেওয়া সদ্য প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির শপথের মাঝেই সমাজবাদী পার্টি ছাড়া বাকি সমস্ত বিরোধী দলের সাংসদরা অধিবেশন থেকে অয়াকআউট করেন। এরপর গগৈয়ের পক্ষে বলতে ওঠেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। তিনি বলেন, “রাজ্যসভার একটা ঐতিহ্য আছে। এখানে বছরের পর বছর ধরে সমাজের নানা ক্ষেত্রের দিকপালরা মনোনীত হয়ে এসেছেন। এর আগে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিও রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন। এই ধরনের হট্টগোল যাঁরা করছেন, তাঁরা বোধহয় হাউসের ঐতিহ্য সম্পর্কেই অবহিত নন!” রঞ্জন গগৈ বলেন, “ আমি এই প্রস্তাব গ্রহণ করেছিলাম তার কারণ, আমি মনে করি কিছু বিষয়ে আইনসভা ও বিচারব্যবস্থার ঐক্যবদ্ধ ভাবে চলা উচিৎ। আমার দৃঢ় বিশ্বাস সং সদে আমার উপস্থিতি সেই সুযোগ তৈরি করবে।” এদিন রঞ্জন গগৈয়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী, কন্য এবং জামাইও। বিরোধীদের হট্টগোল নিয়ে তীব্র ভর্ৎসনা করেন রাজ্যসভার অধ্যক্ষ তথা উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নায়ডু। তিনি বলেন, “নিয়ম মেনেই রাষ্ট্রপতি এই মনোনয়ন দিয়েছেন। বিরোধীরা যে ধরনের আচরণ করছেন, তা কাম্য নয়।” প্রধান বিচারপতি থাকাকালীন অসংখ্য মামলার রায় দিয়েছেন গগৈ। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল তিন তালাক প্রথা বন্ধ, অযোধ্যা মামলা এবং কেরলের শবরীমালা মন্দিরে ঋতুমতী মহিলাদের প্রবেশাধিকার নিয়ে রিভিউ মামলার রায়। তিন তালাক প্রথা বন্ধ করায় সেই সময় দেশজুড়ে প্রশংসা হয়েছিল গগৈয়ের। অবসর নেওয়ার ঠিক আগেই ঐতিহাসিক অযোধ্যা মামলার রায় দেন রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ। এর ফলে বহু বছর ধরে চলতে থাকা অযোধ্যা মামলার নিষ্পত্তি হয়। এছাড়াও তাঁর নির্দেশেই অসমে জাতীয় নাগরিক পঞ্জিকরণ তথা এনআরসির কাজ শুরু হয়। সেই সময়ে কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা হলে গগৈ বলেছিলেন, এনআরসি শুধু নথি নয়, আগামীর ভিত্তি। অসমের ভূমিপুত্র রঞ্জন গগৈই প্রথম যিনি উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে দেশের প্রধান বিচারপতি হয়েছিলেন। ১৯৭৮ সাল থেকে গুয়াহাটি হাইকোর্টে প্র্যাকটিস শুরু করেছিলেন তিনি। এরপর ২০০১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি গুয়াহাটি হাইকোর্টের বিচারপতি হন তিনি। পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা হাইকোর্টেও স্থানান্তর করা হয়েছিল তাঁকে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হওয়ার আগে ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে সেখানকার প্রধান বিচারপতি হন গগৈ। ১৭ নভেম্বর প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর নেন তিনি। গগৈয়ের পর প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পান এস এস বোবদে।

```