দ্য ওয়াল ব্যুরো: কথা ছিল আস্থা ভোট হবে আজ, সোমবারই। মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডন বিধানসভার স্পিকার নর্মদা প্রসাদ প্রজাপতিকে চিঠি দিয়ে বলে দেন, আর সময় নষ্ট করা যাবে না। কিন্তু সোমবার আস্থা ভোট হয়নি মধ্যপ্রদেশে। করোনাভাইরাস আশঙ্কায় ২৬ মার্চ পর্যন্ত অধিবেশন মুলতুববি করে দিয়েছেন অধ্যক্ষ। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা কমলনাথের বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ ছুড়ে দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা শিবরাজ সিং চৌহান।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিবরাজ বলেন, “করোনা ভাইরাসও কমলনাথকে বাঁচাতে পারবে না। ওঁর সরকার পড়ে যাবে। কেউ ঠেকাতে পারবে না।” ২৬ মার্চ পর্যন্ত সময় নিয়েও কমলনাথ অঙ্কে কোনও বদল করতে পারবেন না বলে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানিয়ে দেন মামাজি।
করোনার জন্য আস্থা ভোট না নিয়ে ২৬ মার্চ পর্যন্ত বিধানসভা মুলতুবি করা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গেছে বিজেপি। মঙ্গলবার সদেই মামলার শুনানি হবে শীর্ষ আদালতে।
জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার পিছু পিছু কংগ্রেস ছেড়েছেন মধ্যপ্রদেশের ২২জন কংগ্রেস বিধায়ক। ইস্তফা দিয়েছেন তাঁরা। ফলে সঙ্কটে পড়ে গিয়েছে ১৫ মাসের কমলনাথ সরকার। এমনিতেই কংগ্রেস সরকার ম্যাজিক ফিগার পেরিয়েছিল টায়েটুয়ে। ফলে ২২ বিধায়ক যেতে চরম সঙ্কটে কমলনাথ। যদিও বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা দাবি করেছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারবেন তিনি।
এর মধ্যে আবার বেশ কয়েকজন ইস্তফা দেওয়া বিধায়ক সিন্ধিয়ার সঙ্গে গেলেও বিজেপিতে যোগ দেননি। তাঁরা বলেছেন, মহারাজার জন্য দল ছেড়েছেন কিন্তু বিজেপি করতে পারবেন না।
মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় মোট ২৩০টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে দু’জন বিধায়কের মৃত্যু হওয়ায় দু’টি আসন শূন্য রয়েছে। অর্থাৎ বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে গেলে ১১৫ জন বিধায়কের সমর্থন প্রয়োজন। কংগ্রেসের রয়েছে ১১৪ জন বিধায়ক। বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ১০৭। কংগ্রেস ছেড়েছেন ২২ বিধায়ক। এখন দেখার অগ্নিপরীক্ষায় কী হয় কমলনাথ সরকারের।