দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় প্রাণপাত পরিশ্রম করছেন দেশের সমস্ত রাজ্যের চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিক্যাল কর্মীরা। এই সঙ্কটের সময়ে তাঁদের মনোবল যেন ধাক্কা না খায় সে ব্যাপারে দেশবাসীর কাছে আবেদন জানালেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন।
টুইট করে হর্ষবর্ধন লেখেন, "করোনার বিরুদ্ধে লড়াই আমাদের জাতীয় কর্তব্য। এই পরিস্থিতিতে আমরা কেউ যেন ডাক্তার, নার্স-সহ স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের মনোবল ভেঙে না দিই। তাঁরা করোনা-যোদ্ধা। তাঁরাই আসল, লড়াইটা লড়ছেন।"
পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান থেকে শুরু করে মধ্যপ্রদেশের ভোপাল-- একাধিক জায়গা থেকে খবর এসেছিল করোনা সংক্রমণের আতঙ্কে ডাক্তার, নার্সদের হেনস্থা করা হচ্ছে। বর্ধমানে চিকিৎসককে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টারও অভিযোগ ওঠে। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, "কিছু কিছু জায়গায় ডাক্তার, নার্সদের বিরুদ্ধে মানসিক আতঙ্ক তৈরি করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সেটা মোটেই কাম্য নয়। এই ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকুন।"
ডাক্তারদের হেনস্থার ঘটনা নিয়ে গতকালই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, সতর্ক থাকা মানে কাউকে একঘরে করে দেওয়া নয়। সেইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারির সুরে এও বলেন, "ডাক্তারদের হেনস্থা করা হলে বরদাস্ত করব না।"
জনতা কার্ফুর বিকেলে পাঁচটা থেকে পাঁচটা পাঁচ মিনিট সাধারণ মানুষকে থালা, ঘণ্টা, হাততালি বাজানোর আবেদন জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। চিকিৎসা-সহ জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের ধন্যবাদ জানাতে সেই আবেদন জানিয়েছিলেন মোদী। তাতে সারা দেশজুড়ে স্বতঃস্ফূর্ত সাড়াও পড়েছিল। কিন্তু তারপর থেকে গৃহবন্দি ভারতের একাধিক জায়গায় স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের হেনস্থার ঘটনা ঘটে যায়। এদিন তাই আরও একবার আর্জি জানালেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী।