ভারতে করোনায় মৃত্যুহার ২.৮৭ শতাংশ, বিশ্বে সবথেকে কম, দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে দিন দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও মৃত্যুহার কমছে। বর্তমানে দেশে করোনায় মৃত্যুহার ২.৮৭ শতাংশ। এই মৃত্যুহার বিশ্বে সবথেকে কম বলেই দাবি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্ম সচ
শেষ আপডেট: 27 May 2020 03:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে দিন দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও মৃত্যুহার কমছে। বর্তমানে দেশে করোনায় মৃত্যুহার ২.৮৭ শতাংশ। এই মৃত্যুহার বিশ্বে সবথেকে কম বলেই দাবি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়াল বলেন, “ভারতে এপ্রিল মাসে কোভিড ১৯-এ মৃত্যুহার ছিল ৩.৩৮ শতাংশ। এক মাস পরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২.৮৭ শতাংশ। সেখানে বিশ্বে মৃত্যুহার ৬.৪ শতাংশ। ভারতের মৃত্যহার বিশ্বে সবথেকে কম।”
তারপরেই অবশ্য লব আগরওয়াল বলেন, এখানে সেইসব দেশগুলির হিসেব দেখা হয়েছে যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। যেসব দেশে কম আক্রান্ত হয়েছে, সেগুলিকে হিসেব করা হয়নি। কারণ, ভারত সম্প্রতি করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় বিশ্বের প্রথম ১০ দেশের মধ্যে ঢুকে পড়েছে।
এই মৃত্যুহার কমার পিছনে মূলত তিনটি কারণের কথা জানিয়েছেন লব আগরওয়াল। প্রথম হল লকডাউন। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মতে ভারতে সঠিক সময়ে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। নয়তো এই সংক্রমণ অনেক বেড়ে যেত। সেইসঙ্গে যেভাবে ধাপে ধাপে লকডাউন বাড়ানো হয়েছে ও তার সঙ্গে পরিষেবায় ছাড় দেওয়া হয়েছে তার প্রশংসা করেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
দ্বিতীয় কারণ হিসেবে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ার কথা বলেছেন লব আগরওয়াল। তিনি বলেন, “বর্তমানে প্রতিদিন দেড় লক্ষ মতো টেস্ট হচ্ছে। ফলে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। কারণ এমন অনেক আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে যাঁদের মধ্যে উপসর্গ নেই বা থাকলেও খুবই কম। টেস্ট না করলে তাঁদের সংক্রমণ ধরা পড়ত না।”
মৃত্যুহার কমার তৃতীয় কারণ হিসেবে দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবার কথা বলা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্ম সচিবের মতে, ভারতে যেভাবে রোগীর সংক্রমণের তীব্রতা ও উপসর্গ অনুযায়ী হাসপাতাল ভাগ করে দেওয়া হয়েছে, ও যেভাবে ডাক্তার-নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ করেছেন, তার ফলেই মৃত্যুহার ক্রমাগত কমেছে। এই পুরো প্রক্রিয়া একটা নির্দিষ্ট নিয়মে চলেছে। এই মুহূর্তে হাসপাতালে ভর্তি অ্যাকটিভ আক্রান্তদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা রোগীর পরিমাণ খুব কম বলেই জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।