দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে লকডাউনের মেয়াদ আরও দু'সপ্তাহ বাড়ানোয় সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত আগেই লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই মেয়াদকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, এই সময়ে দেশকে তিনটি জোনে ভাগ করছে সরকার। সেই তিনটি জোন হল, লাল, কমলা এবং সবুজ জোন।
আসুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক লকডাউনে কোন জোনে কী কী খোলা থাকবে-
লাল জোন- সংক্রমণের মাত্রা যেখানে অত্যধিক সেই এলাকাগুলিকে লাল জোনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সমস্ত এলাকায় মুদিখানা, সবজি, ওষুধ, দুধ ইত্যাদির মতো অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দোকান ছাড়া অন্য কিচ্ছু খুলবে না। যানবাহনও চলবে না লাল জোনে। গৃহবন্দি থাকাকে কঠোর ভাবে নিশ্চিত করবে প্রশাসন।
কমলা জোন- যেখানে সংক্রমণের মাত্রা তুলনামূলক কম সেই এলাকাগুলিকে হলুদ জোনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সমস্ত এলাকায় অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দোকান খোলার পাশাপাশি নির্দিষ্ট সংখ্যক যানবাহন চলায় ছাড় দেওয়া হবে।
সবুজ জোন- যে এলাকায় এখনও কেউ সংক্রামিত হননি সেই এলাকাগুলিকে সবুজ জোনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই এলাকায় অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও নির্দিষ্ট সংখ্যক যানবাহন চলার পাশাপাশি কিছু ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প চালানোয় ছাড় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পিটিআই। তবে সবটাই করতে হবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে। অর্থাৎ লকডাউনের প্রাথমিক শর্ত মানতে হবে সর্বত্র।
কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছিল দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ জেলায় করোনা সংক্রমণ হয়নি। উত্তর-পূর্বের বেশ কিছু রাজ্যও এখনও করোনা মুক্ত। বাংলাতেও দেখা গিয়েছে করোনা সংক্রমণ মূলত কিছু পরিবারের মধ্যে আটকে রয়েছে। সেই মতো রাজ্য সরকারও মাইক্রো প্ল্যানিং করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বাড়তি তৎপরতা নিচ্ছে। একই ভাবে সারা দেশেও তিনটি জোনে ভাগ করে লকডাউন কার্যকর করা হবে বলে জানা গিয়েছে।