Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?১৮০ নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোষণ! মোবাইলে মিলল ৩৫০ অশ্লীল ভিডিও, ধৃতের রয়েছে রাজনৈতিক যোগ

২০ দিনে ২০০-র বেশি জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়েছে, মোট আক্রান্তের ৪৫ শতাংশ ছ'টি শহরে: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক 

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ২ এপ্রিলের সাংবাদিক বৈঠকে আশাব্যঞ্জক পরিসংখ্যান দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়াল। বলেছিলেন দেশের ৭৩৬টি জেলার মধ্যে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়েছে ২১১টি জেলায়। মাঝে মাত্র ২০টি দিন। এর মধ্যেই নতুন করে স

২০ দিনে ২০০-র বেশি জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়েছে, মোট আক্রান্তের ৪৫ শতাংশ ছ'টি শহরে: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক 

শেষ আপডেট: 22 April 2020 14:59

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ২ এপ্রিলের সাংবাদিক বৈঠকে আশাব্যঞ্জক পরিসংখ্যান দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়াল। বলেছিলেন দেশের ৭৩৬টি জেলার মধ্যে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়েছে ২১১টি জেলায়। মাঝে মাত্র ২০টি দিন। এর মধ্যেই নতুন করে সংক্রমণ ছড়াল ২০০-র বেশি জেলায়।
বুধবার বিকেলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে পরিসংখ্যান দিয়ে বলা হয়েছে, দেশে এখন করোনা সংক্রামিত জেলার সংখ্যা ৪৩০টি। অর্থাৎ ২ এপ্রিল থেকে ২২ এপ্রিলের মধ্যে নতুন করে ২১৯টি জেলায় করোনা সংক্রমণ ছড়িয়েছে।
এদিন বিকেলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক যে বুলেটিন দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বিশ হাজারের গণ্ডি পার করে গিয়েছে। কোভিড পজিটিভের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার ৪৭১। মৃত্যু হয়েছে ৬৫২ জনের। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে, মোট আক্রান্তের ৪৫ শতাংশ দেশের ছ'টি বড় শহরের। আরও পড়ূন- ২৪ ঘণ্টায় কোভিড পজিটিভ প্রায় দেড় হাজার, ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়াল 
এর মধ্যে সবার উপরে রয়েছে মুম্বই। বাণিজ্য নগরীতে আক্রান্তের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। রাজধানী দিল্লিতে করোনা পজিটিভ ২০৮১, আমদাবাদে ১২৯৮, ইন্দোরে ৯১৫, পুণেতে ৬৬০ এবং রাজস্থানের জয়পুরে ৫৩৭ জন। কয়েকদিন আগেই দেশের মেট্রোসিটিগুলিকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সেই তালিকায় ছিল কলকাতাও। কিন্তু কলকাতার সংক্রমণ এই মাত্রায় নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে ভারতে অনেক ধীর গতিতে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। লকডাউনের ফলেই এটা সম্ভব হচ্ছে বলে মনে করছেন তাঁরা। গত সোমবার লব আগরওয়াল বলেছিলেন, আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ার সময়ও বেড়েছে। লকডাউনের আগে ৩.৪ দিনে দ্বিগুণ হচ্ছিল আক্রান্তের সংখ্যা। কিন্ত এখন সেটা হচ্ছে ৭.৫ দিনে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী সবচেয়ে সংকটজনক অবস্থা মহারাষ্ট্রের। সেখানে এখনও পর্যন্ত আক্রান্ত ৫২২১ জন। যা দেশের মোট আক্রান্তের চার ভাগের এক ভাগ। ছটি অতি স্পর্শকাতর শহরের মধ্যে দুটি মহারাষ্ট্রের। মুম্বই এবং পুণে। তা ছাড়া মৃত্যুও বেশি মারাঠা মুলুকে। করোনায় এখনও পর্যন্ত সারা দেশে ৬৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে মহারাষ্ট্রেই মারা গিয়েছেন ২৫১ জন।

```