দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই লকডাউন এখনও কয়েক দিন বাড়ার কথা। আর এরমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়া ছেয়ে গিয়েছে ভুয়ো খবর ও গুজবে। সম্প্রতি একটা খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে, ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত নাকি দেশের সব হোটেল ও রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে পর্যটন মন্ত্রক। এই খবর যে ভুয়ো তা খোলসা করা হল কেন্দ্রের তরফে।
প্রসার ভারতী নিউজ সার্ভিসসের তরফে জানানো হয়েছে, এই ধরনের খবর সম্পূর্ণ ভুয়ো। ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত হোটেল- রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকবে বলে পর্যটন মন্ত্রকের নামে যে খবর ঘুরছে তা মিথ্যে। এই ধরনের কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এই খবর ভুয়ো।
বর্তমানে লকডাউনের পরিস্থিতিতে হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ রয়েছে ঠিকই, কিন্তু তারমধ্যেই অনেক হোটেলকে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার ও জরুরি পরিষেবার কর্মীদের থাকার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। তেমনই যদি জরুরি পরিষেবার মধ্যে যেসব খাবার পড়ছে, তা ডেলিভারি করার পরামর্শ দেওয়া আছে।
লকডাউন ওঠার পরেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া। তাদের বক্তব্য, লকডাউন উঠে গেলেও মানুষ ভিড় করে খেতে আসতে এই মুহূর্তে একটু ভয় পাবেন। ইতিমধ্যেই ভারতে সব রেস্তোরাঁ মিলিয়ে প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার লোকসান হয়েছে। এর ফলে আখেরে দেশের অর্থনীতিই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে ফের আগের পর্যায়ে ফিরে যাওয়ার জন্য কর্মী ছাঁটাই ছাড়া আর কোনও বিকল্প নেই বলেই জানিয়েছে ন্যাশনাল রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া। কর্মী ছাঁটাই করে ও কর্মীদের বেতন কমিয়ে তবেই এই লোকসানকে মিটিয়ে ফের আগের অবস্থায় ফেরা যাবে বলেই জানিয়েছে তারা। আন্দাজ করা হচ্ছে লকডাউন উঠে যাওয়ার পরে এই হোটেল ও রেস্তোরাঁর কাজে যুক্ত প্রায় ১৫ লক্ষ কর্মী কাজ হারাতে পারেন।