
শেষ আপডেট: 19 April 2020 10:56
এ ছাড়া নারকেল, স্পাইস বাম্বু, কোকো গাছের বাগান, দুধ, দুগ্ধজাত পণ্যের উৎপাদন, পোলট্রি ও অন্যান্য পশুপালন, চা, কফি বিভিন্ন বনজ উৎপাদনের কাজ ২০ এপ্রিল থেকে শুরু করার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্র। গ্রামীণ অঞ্চলে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন, বিদ্যুৎতের কাজ, টেলিকম সংস্থার অপটিকাল ফাইবার এবং কেবল লাইন পাতার কাজেরও অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
২০ এপ্রিল থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে গ্রামীণ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলিকেও। সেই সঙ্গে কৃষি ও তার সম্পর্কিত কাজকর্ম পুরোদমে শুরু হবে। গ্রামে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প, রাস্তা নির্মাণ, সেচ প্রকল্প, বাড়ি নির্মাণ, ১০০ দিনের প্রকল্পের কাজ, সবই শুরু হয়ে যাবে। ১০০ দিনের প্রকল্পে সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে সেচ ও জল সংরক্ষণের কাজে। লকডাউনের ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষ কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছেন। তাঁদের কথা ভেবেই ওই ছাড় দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।
ওই দিন থেকে ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরকেও কাজ শুরু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কয়লাখনি, অন্যান্য খনিতে কাজ ও তেল উৎপাদনেও অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্র।
এ ছাড়া ২০ এপ্রিল থেকে চালু হবে সব ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম। ফ্লিপকার্ট, অ্যামাজনের মতো ই-কমার্স সংস্থাগুলি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ডেলিভারি করতে পারবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক দু'দিন আগে নির্দেশিকা জারি করে বলেছিল, জরুরি নয় এমন পণ্যও ডেলিভারি দেওয়া যাবে। রবিবার সেই নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার এবং পঞ্চায়েত ও পুরসভাগুলির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অফিসও চালু হবে ২০ এপ্রিল থেকে। তবে বিমান, ট্রেন, সড়কপথে চলাচল, শিক্ষায়তন, শিল্প ও বাণিজ্য, হোটেল, সিনেমা হল, শপিং কমপ্লেক্স এবং থিয়েটার হল বন্ধ থাকবে। সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সমাবেশ করারও অনুমতি দেওয়া হবে না।
তা ছাড়া ২০ তারিখ থেকে আন্তঃরাজ্য পণ্য পরিবহণে পুরোপুরি ছাড় দেওয়া হয়েছে। হাইওয়েতে যেসব ধাবা, ট্রাক সারানোর কারখানা ও সরকারি কল সেন্টার আছে, সেগুলিও ওই দিন থেকে খুলে যাবে।
তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এও পরিষ্কার জানিয়েছে যে, সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করেই সব কাজ করতে হবে। যেই সব জেলা করোনা হটস্পট নয় সেই সব জায়গায় কিছু কিছু ক্ষেত্রে কল কারাখানাতেও ২০ এপ্রিলের পরে অল্প শ্রমিক ব্যবহার করে উৎপাদন চালু হতে পারে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে তাতে প্রাইভেট গাড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও কিছু অংশকে জরুরি পরিষেবার আওতায় আনা হয়েছে। যেমন পশু চিকিৎসকরা প্রাইভেট গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে বিধি মেনে তা করতে হবে। চালক ছাড়া আর একজন বসতে পারবেন গাড়িতে। তাঁকে বসতে হবে গাড়ির পিছনের সিটে। স্কুটার বা মোটর সাইকেলে জরুরি কাজে গেলেও একজনের বেশি চাপা যাবে না।