
শেষ আপডেট: 18 July 2020 07:58
হোটেলের প্রধান শেফের কাছে কেউ কেউ নতুন নতুন রেসিপিও শিখছেন। পাস্তা, পিৎজা, পনির বাটার মশালা—নানান রকম রান্না শিখছেন তাঁরা। গতকাল, শুক্রবার রাতে হোটেলের একটি বড় হলে বসে ‘মুঘল-এ-আজম’ দেখেছেন গেহলটপন্থী কংগ্রেস বিধায়করা। অনেকে বলছেন, সারা সপ্তাহ ধরে যা উত্তেজনা চলেছে, সপ্তাহ শেষে সিনেমা দেখে ‘মুড স্যুইং’ করছেন বিধায়করা।
রাজস্থান কংগ্রেসের বিদ্রোহী নেতা শচীন পাইলট শিবিরের ১৮ জন বিধায়কও রিসর্টে রয়েছেন। তবে তাঁরা কেউ রাজস্থানে নেই। হরিয়ানার মানেসৌরের দুটি রিসর্টে রাখা হয়েছে তাঁদের। তা নিয়ে সর্বভারতীয় কংগ্রেস নেতারা পাইলটের তীব্র সমালোচনা করেছেন। রণদীপ সিং সুরজেওয়ালার অভিযোগ, বিজেপির আতিথ্য নিচ্ছেন শচীন। বিজেপি শাসিত হরিয়ানায় গেরুয়া শিবিরের নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে তাঁর অনুগামী বিধায়কদের রেখেছেন পাইলট। যদিও শচীন ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, তিনি বিজেপিতে যাবেন না। গান্ধী পরিবারের সামনে তাঁকে অপদস্ত করতেই এই ধরনের ভিত্তিহীন কথা রটিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
রাজস্থান বিধানসভার অধ্যক্ষ সিপি যোশী শচীন-সহ তাঁর অনুগামী বিধায়কদের নোটিস পাঠিয়ে জানতে চেয়েছিলেন, কেন তাঁদের বিধায়ক পদ থেকে ডিসকোয়ালিফাই করা হবে না। ওই নোটিস নিয়ে শচীনরা হাইকোর্টে যান। গতকাল, শুক্রবার সেই শুনানিতে রাজস্থান হাইকোর্ট বলে, এখনই শচীন ও তাঁর অনুগামী বিধায়কদের বিধায়কপদ থেকে সরানো যাবে না।