চন্দ্রযানের ধ্বংসাবশেষ অবশেষে খুঁজে পেল নাসা, নেপথ্যে চেন্নাইয়ের ইঞ্জিনিয়ার
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চন্দ্রযানের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’।
মঙ্গলবার সকালে সেই ছবি প্রকাশও করে নাসা জানিয়েছে, তাদের কৃত্রিম উপগ্রহ চাঁদ পরিক্রমা করার সময়েই চন্দ্রযান-২ এর ল্যান্ডার বিক্রমের টুকরো দেখতে পেয়েছে। বি
শেষ আপডেট: 3 December 2019 03:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চন্দ্রযানের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’।
মঙ্গলবার সকালে সেই ছবি প্রকাশও করে নাসা জানিয়েছে, তাদের কৃত্রিম উপগ্রহ চাঁদ পরিক্রমা করার সময়েই চন্দ্রযান-২ এর ল্যান্ডার বিক্রমের টুকরো দেখতে পেয়েছে। বিক্রম ল্যান্ডারের ভাঙা অংশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল।
https://twitter.com/NASA/status/1201597561720725506?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1201597561720725506&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.news18.com%2Fnews%2Findia%2Fchandrayaan-2-nasa-finds-vikram-landers-debris-strewn-on-the-moons-surface-tweets-image-2409175.html
প্রসঙ্গত, গত ৭ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সময় মধ্যরাতে চাঁদে নামার কথা ছিল চন্দ্রযান ২-এর। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের কয়েক সেকেন্ড আগে থেকে বিক্রম ল্যান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ইসরোর গবেষকদের ধারনা যে চাঁদের মাটিতে হার্ড ল্যান্ড করেছিল বিক্রম। অর্থাৎ যে গতিতে নামার কথা ছিল তার থেকে বেশি গতিতে নেমেছিল। ফলে চাঁদের মাটিতে ধাক্কা খেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ল্যান্ডার। তার ফলেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
নাসার লুনার রেকনিসেন্স অরবিটার তথা এলআরও-এর তোলা ছবি সোশাল মিডিয়াতেও প্রকাশ করা হয়েছে। ল্যান্ডের ফলে কী ধরনের অভিঘাত হয়েছিল এবং কী ভাবে ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে রয়েছে সেটাই দেখা যাচ্ছে ছবিতে। একটি বিবৃতিতে নাসা জানিয়েছে, চেন্নাইয়ের ইঞ্জিনিয়ার সন্মুগ সুব্রহ্মণ্যম প্রথমে ধ্বংসাবশেষ চিহ্নিত করেন। বিক্রম ল্যান্ডার যেখানে ক্র্যাশ ল্যান্ড করেছিল তার উত্তর পশ্চিম দিকে একটা বড় উজ্জ্বল পিকসেল প্রথমে চিহ্নিত করেন তিনি।
এর পরই সন্মুগ লুনার রেকনিসেন্স অরবিটার প্রজেক্টের দায়িত্বে থাকা গবেষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাঁর কথা শোনার পরই ওই প্রজেক্ট টিম চন্দ্রযান নামার আগের ও পরের ছবির তুলনা করে বুঝতে পারে ওটা ল্যান্ডারই ধ্বংসাবশেষ।
প্রথম ছবিতে অবশ্য সবকিছু পরিষ্কার ভাবে ধরা পড়েনি। কারণ, যেখানে বিক্রম ক্র্যাশ ল্যান্ড করেছিল সেখানে বিশেষ আলো ছিল না তখন। তাই পরবর্তীকালে অক্টোবরের ১৪ ও ১৫ তারিখ এবং নভেম্বরের ১১ তারিখ আরও কয়েকটি ছবি তোলা হয় নাসার কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে। তার পরই এ ব্যাপারে নিশ্চিত হন নাসার মহাকাশ গবেষকরা।