লকডাউনের ফলে ভারতে কোভিড ১৯ ডাবলিং রেট ৩ থেকে ৮.৬ দিন হয়েছে, জানালেন এনসিডিসি-র চেয়ারম্যান
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে করোনা সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি যে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তা বারবার জানাচ্ছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। সেই বিষয়ে তথ্যও দেওয়া হয়েছে। দেশের সংক্রমণের ডাবলিং রেট বা বৃদ্ধি দ্বিগুণ হওয়ার হার যে ক্রমাগত বাড়ছে তা আগেই
শেষ আপডেট: 24 April 2020 12:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে করোনা সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি যে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তা বারবার জানাচ্ছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। সেই বিষয়ে তথ্যও দেওয়া হয়েছে। দেশের সংক্রমণের ডাবলিং রেট বা বৃদ্ধি দ্বিগুণ হওয়ার হার যে ক্রমাগত বাড়ছে তা আগেই জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। সেই ডাবলিং রেট গত এক মাস অর্থাৎ লকডাউন পিরিয়ডে কতটা বেড়েছে তা জানানো হল এবার।
শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানান ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের ডিরেক্টর ডক্টর সুজিত কুমার। তিনি বলেন, “এই লকডাউনের সরাসরি প্রভাব পড়েছে ভারতে করোনা সংক্রমণের ডাবলিং রেট-এ। ২১ মার্চ ভারতে কোভিড ১৯ ডাবলিং রেট ছিল ৩ দিন। তারপরে লকডাউনের ফলে তা ধীরে ধীরে বেড়ে ৮.৬ দিন হয়েছে।” শেষ তিনদিনের হিসেব করলে এই ডাবলিং রেট ১০ দিন হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
লকডাউনের মধ্যে কী ভাবে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ার সময় বেড়েছে তা একটা সপ্তাহভিত্তিক হিসেব দিয়ে দেখান ডক্টর সুজিত কুমার। তিনি বলেন, “লকডাউনের প্রথম সপ্তাহ অর্থাৎ ২৪ থেকে ৩০ মার্চ ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১২৫১। এই সময় ডাবলিং রেট বেড়ে হয়েছিল ৫.২। পরের সপ্তাহ অর্থাৎ ৩১ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল ডাবলিং রেট ফের কমে যায়। কারণ সেই সময় তবলিঘি জামাত সদস্যদের বিষয়টি সামনে আসে। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয় ৪৪২১। তখন ডাবলিং রেট হয় ৪.২। তৃতীয় সপ্তাহে অর্থাৎ ৭ থেকে ১৩ এপ্রিল আক্রান্তের সংখ্যা হয় ১০৩৬৩। ডাবলিং রেট বেড়ে হয় ৬.০। আর শেষ সপ্তাহ অর্থাৎ ১৪ থেকে ২০ এপ্রিল আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৮৬০১। ডাবলিং রেট হয় ৮.৬ দিন।”

শুধুমাত্র ডাবলিং রেট বাড়া নয়, কোভিড সংক্রমণের গ্রোথ রেট যে অনেক কমেছে সেটাও পরিসংখ্যান দিয়ে দেখানো হয় এদিন। একটা গ্রাফের সাহায্যে দেখানো হয়, ২৩ মার্চ থেকে কী ভাবে এতদিন ভারতে সংক্রমণ বেড়েছে। যদি লকডাউন না হত তাহলে সংক্রমণ কী ভাবে বাড়ত সেটাও দেখানো হয়েছে এই গ্রাফে।
