দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইতিমধ্যেই ভারতের একাধিক রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে ব্রিটেন থেকে আসা করোনার নতুন স্ট্রেন। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের সঙ্গে বিমান পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে একাধিক দেশ। ভারতও বন্ধ করে দিয়েছিল। কিন্তু এবার তারা ফের এই পরিষেবা চালু করতে চাইছে। তবে সীমিতভাবে। শুধু তাই নয়, এবার থেকে যাতায়াতের জন্য মানতে হবে একাধিক নিয়ম।
মঙ্গলবার অসামরিক বিমান মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী জানান ব্রিটেন পর্যন্ত ও ব্রিটেন থেকে সীমিত পরিমাণে বিমান চলাচলের অনুমতি দিয়েছে তারা। তিনি বলেন, “আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে সীমিত পরিমাণে বিমান পরিষেবা শুরু করার। আমাদের মেডিক্যাল কর্মীদের কাছে যে তথ্য রয়েছে সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই এই পরিষেবা চলবে।”
সংবাদসংস্থা এএনআইকে বিমান মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, “আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যাত্রার ৭২ ঘণ্টা আগে আরটি-পিসিআর টেস্ট করলেই যাত্রার অনুমতি দেওয়া হবে না। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বিমানবন্দরে গিয়ে ফের পরীক্ষা করতে হবে। তারপরে আমরা সবটা খতিয়ে দেখব। কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার থাকলে নেব। ব্রিটেনের সঙ্গে সীমিত বিমান পরিষেবা শুরু হবে। সপ্তাহে ৬০টির জায়গায় ৩০টি বিমান চলাচল করবে। আমরা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি। যদি প্রয়োজন পড়ে আরও কড়া পদক্ষেপ নেব আমরা।”
কিন্তু ইতিমধ্যেই তো ভারতে ব্রিটেনের স্ট্রেন ধরা পড়েছে। এই স্ট্রেন আরও বেশি সংক্রামক বলেই জানা গিয়েছে। সেই প্রসঙ্গে হরদীপ পুরী বলেন, “আমাদের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে ভ্যাকসিন দেশে বের হচ্ছে তা এই নতুন স্ট্রেনের উপরেও কার্যকর। আমরা যাতায়াতের জন্য নির্দিষ্ট প্রোটোকল তৈরি করে সেটা মেনে চলব। যদি নতুন কোনও তথ্য বের হয়ে আসে তাহলে বিশেষজ্ঞরা তা খতিয়ে দেখবেন।”
ব্রিটেনের সঙ্গে বিমান পরিষেবা চালু করার বিষয়টি অবশ্য আগেই টুইট করে জানিয়েছিলেন হরদীপ পুরী। তিনি বলেন, “ভারত থেকে ব্রিটেনে বিমান পরিষেবা শুরু হবে ৬ জানুয়ারি। ব্রিটেন থেকে ভারতে আসবে ৮ জানুয়ারি। প্রতি সপ্তাহে ৩০টি বিমান চলবে। ১৫টি ভারতীয় সংস্থার ও ১৫টি ব্রিটিশ সংস্থার। ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত এই নিয়ম চলবে। তারপরে পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এখনও পর্যন্ত ব্রিটেন ফেরত ৫৮ জনের শরীরে এই নতুন স্ট্রেন পাওয়া গিয়েছে। তার মধ্যে মঙ্গলবারই নতুন করে ২০ জনের শরীরে পাওয়া গিয়েছে করোনার এই নতুন স্ট্রেন।