দ্য ওয়াল ব্যুরো: নববর্ষের সকালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে লকডাউনের মেয়াদ আরও ১৯ দিন বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে তিনি জানিয়েছিলেন লকডাউনের বিধি মেনে কিছু ক্ষেত্রে উৎপাদনে ছাড় দেওয়া হবে। গত বুধবার সেই তালিকাও প্রকাশ করেছিল কেন্দ্র। শুক্রবার সেই তালিকায় আরও কিছু সংযোজন করল কেন্দ্রীয় সরকার।
নন-ব্যাঙ্কিংআর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মাইক্রো ফিন্যান্স সংস্থাগুলিকে জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। ছাড় দেওয়া হচ্ছে নারকেল, বাঁশ এবং সুপারি চাষেও। উপজাতি মানুষকে বনজ সম্পদ সংগ্রহের কাজ করার ক্ষেত্রেও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে এই সব কাজই করতে হবে সামাজিক দূরত্বের শর্ত মেনে।
একইসঙ্গে ছাড় দেওয়া হয়েছে গ্রামীণ এলাকায় জলের লাইন ও টেলিকমের অপটিক্যাল ফাইভার ও কেবল পাতার কাজেও।
গতকাল রাতে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল অ্যামাজন, ফ্লিপকার্টের মতো সংস্থাগুলি টিভি, ফ্রিজ, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, জামাকাপড় এবং স্কুলের ছেলেমেয়েদের প্রয়োজনীয় স্টেশনারি দ্রব্য ডেলিভারি করতে পারে। এগুলিকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলেছিল কেন্দ্র। যদিও ডেলিভারি সংস্থাগুলির এখন চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে এই সমস্ত জিনিস ডেলিভারি করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনী গাড়ি পাওয়া যাবে কিনা তাই নিয়ে।
করোনা সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণার সময়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, শর্ত সাপেক্ষে অনুমতি দেওয়া হবে। তবে যদি দেখা যায় যে এলাকায় সংক্রমণ নেই সেখানে মানুষ নতুন করে সংক্রামিত হচ্ছেন তাহলে অনুমতি প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। ২০ এপ্রিল থেকে এসব কাজ করা যাবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।