দ্য ওয়াল ব্যুরো: সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য রাজস্থানের কোটায় পড়তে যাওয়া কয়েক হাজার উত্তরপ্রদেশের ছাত্র সেখানে আটকে পড়েছিলেন। গতকাল যোগী আদিত্যনাথ সরকার ২০০ বাস পাঠায় রাজস্থানে। আগ্রা এবং ঝাঁসি থেকে ছাড়া হয় বাসগুলি। শনিবার ছাত্রদের নিয়ে ১০০ বাস ফিরল ঝাঁসিতে।
রাজস্থান থেকে ফেরা ছাত্রদের স্ক্রিনিং শুরু করেছে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। প্রাথমিক স্ক্রিনিংয়ের পর যাঁদের শরীরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ পাওয়া যাবে না তাঁদের হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। বাকি বাসগুলি সন্ধের পর আগ্রায় পৌঁছবে বলে জানা গিয়েছে।
উত্তরপ্রদেশ থেকে পাঠানো বাসগুলি শুক্রবার সন্ধ্যায় পৌঁছয় কোটা শহরে। ছাত্ররা ঠিক কোথা থেকে বাসে উঠবেন, তাঁদের সঙ্গে রাজ্য সরকারের কোনও প্রতিনিধি যাবেন কিনা, তা নিয়ে আগেই রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। কোটা পুরসভার জনসংযোগ অফিসার হরিওম গুর্জর বলেন, “ছাত্রদের ফেরানোর ব্যাপারে একমত হয়েছে রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশ সরকার। মুম্বইয়ের মতো পরিস্থিতি যাতে না হয়, সেজন্য মুখ্যমন্ত্রী নিজে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে অফিসারদের সঙ্গে কথা বলেছেন।” অশোক গেহলট নিজে টুইট করে বলেছেন, অন্যান্য রাজ্যও কোটায় আটকে পড়া ছাত্রদের ফিরিয়ে নিতে পারে।
কোটায় আইআইটি-র প্রবেশিকা পরীক্ষার জন্য যারা কোচিং করায়, তাদের অন্যতম অ্যালেন-এর মুখপাত্র নীতেশ শর্মা বলেন, রাজ্য প্রশাসন তাঁদের বলেছে, ছাত্রদের একটি তালিকা তৈরি করতে হবে। তাতে কে কোন এলাকায় থাকে, তাও উল্লেখ করা থাকবে। কোচিং সেন্টারগুলিকে বলা হয়েছে, তারা যেন ছাত্রদের জন্য খাবার, স্যানিটাইজার ও জলের বোতলের ব্যবস্থা করে। ছাত্রদের বলা হয়েছে, তারা যেখানে আছে, সেখানেই যেন থাকে। তাদের বাড়ির ঠিকানা সংগ্রহ করা হচ্ছে।
কিন্তু ছাত্রদের ফেরানো হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিহার সরকার। মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার এ নিয়ে যোগী সরকারের তীব্র সমালোচনাও করেন।