লকডাউন ভাঙায় গ্রেফতার শিক্ষক, সরকারি আধিকারিক ও ডাক্তার দম্পতি, কড়া পদক্ষেপ কেরলে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনের নিয়ম ভাঙায় কেরলে এক মহিলা শিক্ষক, আবগারি দফতরের এক মহিলা কর্মী ও এক ডাক্তার দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুটি আলাদা ঘটনায় এই চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর।
জানা গিয়েছে, প্রথম ঘটনায় তামিলনাড়ুতে কাজ করা এক মহিল
শেষ আপডেট: 24 April 2020 07:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনের নিয়ম ভাঙায় কেরলে এক মহিলা শিক্ষক, আবগারি দফতরের এক মহিলা কর্মী ও এক ডাক্তার দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুটি আলাদা ঘটনায় এই চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর।
জানা গিয়েছে, প্রথম ঘটনায় তামিলনাড়ুতে কাজ করা এক মহিলা ডাক্তার তাঁর স্বামীর সঙ্গে আসারিপোল্লাম থেকে কালিয়াক্কাভিলাতে আসেন। মহিলার স্বামী কেরলে ডাক্তারি করেন। লকডাউনের মধ্যে এভাবে তামিলনাড়ু থেকে কেরলে আসায় তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। পরে অবশ্য জামিনে তাঁদের ছাড়া হয়েছে। কিন্তু তাঁদের দু’সপ্তাহ হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগও দায়ের হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।
দ্বিতীয় ঘটনায় কর্নাটকের বেঙ্গালুরুর এক কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের এক মহিলা শিক্ষক নিজের দু’বছরের ছেলেকে নিয়ে বেঙ্গালুরু থেকে কেরলে আসেন। তাঁকে নিজের গাড়িতে করে সাতটি জেলা পার করান আবগারি দফতরের এক মহিলা আধিকারিক। জানা গিয়েছে, ওয়ানাড় জেলার থামাসেরি চেকপোস্টে আবগারি দফতরের গাড়ি ব্যবহার করে চেকপোস্ট পার হন ওই মহিলা আধিকারিক।
জানা গিয়েছে ওই শিক্ষক কামনা শর্মা তিরুবনন্তপুরমের নারকোটিক্স দফতরের এক ডেপুটি সুপারের কাছ থেকে একটি যাতায়াতের পাস পেয়েছিলেন। কিন্তু ওয়ানাড় জেলার জেলাশাসক আদিলা আবদুল্লাহ জানিয়েছেন, ডেপুটি সুপার এক জেলা থেকে অন্য জেলা কিংবা এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাতায়াত করার অনুমতি দিয়ে পাস দিতে পারেন না। এই বিষয়ে একটা বিচার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে বলে খবর।
কেরল মহামারী আইন ১৮৯৭-এর আওতায় ওই ডাক্তার দম্পতি ও মহিলা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন বলেছেন, কী ভাবে এই যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া পাসের অপব্যবহার হচ্ছে, সে ব্যাপারে তদন্ত করে দেখা হোক। কেরলে কোভিড ১৯ সংক্রমণ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে ফের শুরু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এই অবস্থায় ফের আগ্রাসী মনোভাব নিতে চাইছে কেরল সরকার। কোনও ভাবে যাতে এই সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়তে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনকে।