দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটের ফলাফলের দিন কোনও রকম অশান্তি যেন না হয়, কর্মীরা যেন শৃঙ্খলা বজায় রাখেন, সে ব্যপারে রবিবার সতর্ক করে দিলেন তেজস্বী যাদব।
শনিবার ছিল বিহারের শেষ দফার ভোট। তৃতীয় দফা শেষ হওয়ার পর থেকেই একের পর এক সংস্থা তাদের বুথ ফেরত সমীক্ষা প্রকাশ করতে শুরু করে। প্রায় সমস্ত সমীক্ষাই আভাস দিয়েছে বিহারে এনডিএ হারতে চলছে।সরকার গড়তে চলেছে আরজেডি, কংগ্রেস, বামেদের মহাজোট। নীতীশ কুমারকে অনেকটা পিছনে ফেলে ৩০ বছরের তেজস্বী যাদব মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন বলেও উঠে এসেছে সমীক্ষায়। আর তারপরই তেজস্বীর এই সতর্কবাণী।
লালুপ্রসাদ যাদবের ছোট ছেলে টুইটে লিখেছেন, ফলাফলের দিন কোনও রকম বিশৃঙ্খলা যেন না হয়। আবির, আতশবাজি ব্যবহার করতেও নিষেধ করেছেন তরুণ এই নেতা।
প্রথমে তিনি বলেছেন, ফলাফল যাই হোক, সমস্ত কর্মীকে শন্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার কাজ দায়িত্ব নিয়ে করতে হবে। তিনি লিখেছেন, জয়ের আনন্দে কেউ অসংযত আচরণ করবেন না। মাথায় রাখবেন, আপনার রাজনীতির মূল কথা মানুষের যাতে ভাল হয়।
আগামী ১০ নভেম্বর বিহারের ভোট গণনা। ওই দিন আবার তেজস্বীর জন্মদিন। অনেকে বলছেন, সমীক্ষা মিলে গেলে জন্মদিনের সেরা উপহার পেতে চলছেন তরুণ এই নেতাটি।
১৫ বছর ধরে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে রয়েছেন নীতীশ। পর্যবেক্ষকদের মতে প্র্তিষ্ঠান বিরোধিতা তৈরি হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তা ছড়া গত ভোটে লালুর সঙ্গে জোট করে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন নীতীশ। কিন্তু দুবছরের মধ্যেই সেই জোট ভেঙে দেন নীতীশ। ইস্তফা দেন মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে। এরপর বিজেপির সমর্থনে ফের মুখ্যমন্ত্রী হন তিনি।
এবারে তেজস্বীদের প্রচারের অন্যতম হাতিয়ারই ছিল নীতীশ কুমারের বিশ্বাসঘাতকতা। অনেকের মতে, যে কারণে যাদব ও মুসলিম ভোটের সিংহ ভাগ হয়তো গিয়েছে মহাজোটের দিকে।