
শেষ আপডেট: 24 September 2019 05:48
ইতিবাচক এই বৈঠকের পর অর্থ সচিব ওই চার আধিকারিককে অনুরোধ করেন তাঁরাও যেন ধর্মঘটের সিদ্ধান্তের ব্যাপারটা ভেবে দেখেন। বৈঠক শেষে ব্যাঙ্ক সংগঠনের তরফেও জানানো হয়, দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পর তারা মনে করছে এই ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা উচিত। তারপরেই জানিয়ে দেওয়া হয়, শেষ পর্যন্ত ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত থেকে সরেই এলেন তাঁরা। আপাতত কোনও ধর্মঘট হচ্ছে না। তবে তাঁদের দাবি না মিটলে বৃহত্তর আন্দোলন হতে পারে বলেও আগাম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।
কয়েকদিন আগে ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল ব্যাঙ্কের ৪টি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন৷ বৃহস্পতি ও শুক্রবারের এই ধর্মঘটের সঙ্গে জুড়ে যেত চতুর্থ শনিবার ২৮ সেপ্টেম্বর ও রবিবারের ছুটি। পরের দিন ৩০ সেপ্টেম্বর ব্যাঙ্কের হাফ ইয়ারলি ক্লোজিংয়েও সাধারণত গ্রাহক পরিষেবা বন্ধ থাকে। তাই সব মিলিয়ে টানা পাঁচদিনের দেশজুড়ে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকার সম্ভাবনা পুজোর মুখে বড় সঙ্কটের কারণ হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, এক সঙ্গে ১০টি ব্যাঙ্কের সংযুক্তিকরণের ফলে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সংখ্যা ২৭ থেকে কমে হবে ১২। সাম্প্রতিক ঘোষণা মতো ১০টি বড় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক মিশে হচ্ছে ৪টি। পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক, ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক ও ওরিয়েন্টাল ব্যাঙ্ক সংযুক্তিকরণ হচ্ছে। মিশে যাচ্ছে ইউনিয়ন, অন্ধ্র ও কর্পোরেশন ব্যাঙ্কও। এলাহাবাদ ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত হবে ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক। কানাড়া ব্যাঙ্ক ও সিন্ডিকেট ব্যাঙ্কও মিশে যাচ্ছে। ব্যাঙ্কের সংয়ুক্তিকরণ ও একাধিক ইস্যুতে এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল চারটি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন।