দ্য ওয়াল ব্যুরো: এবার ওষুধও বেচবে অ্যামাজন। অনলাইনে বুক করলেই বাড়িতে পৌঁছে যাবে প্রয়োজন মতো ওষুধ। ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মটির তরফে শুক্রবার বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, শিগগিরই তারা ভারতের বাজারে এই পরিষেবা শুরু করবে।
অ্যামাজনের তরফে বলা হয়েছে, শুরুতে বেঙ্গালুরুতে এই পরিষেবা চালু হবে। তারপর আস্তে আস্তে অন্য মেট্রো শহরগুলিতে ছড়িয়ে পড়বে ‘অ্যামাজন ফার্মেসি।’ তবে ঠিক কোন মাসের কত তারিখে এই সার্ভিস শুরু হবে সে ব্যাপারে কিছু খোলসা করেনি অ্যামাজন কর্তৃপক্ষ।
প্রেসক্রিপশনের ওষুধ ছাড়াও মেডিক্যাল সামগ্রী, আয়ুর্বেদিক ওষুধও মিলবে অ্যামাজন ফার্মেসি থেকে। মূলত ওয়ালমার্টের সংস্থা ফ্লিপকার্টের সঙ্গে প্রতিযোগিতাতেই এই পরিষেবা শুরু করছে অ্যামাজন। তা ছাড়া ভারতের বাজারে মুকেশ আম্বানির জিও মার্টের সঙ্গেও লড়তে হবে অ্যামাজনকে।
ভারতে এখনও অনলাইন ওষুধ ব্যবসার নিয়মকানুন চূড়ান্ত হয়নি। তবে কিছু সংস্থা ওষুধের হোম ডেলিভারি চালায়। অ্যামাজন অনলাইন ওষুধ ব্যবসার কথা ঘোষণার পর মেডলাইফ, নেটমেডস, ওয়ান এমজি-র মতো সংস্থাগুলি কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বলে মনে করছেন অনেকে। তাঁদের মতে, অ্যামাজনের মতো দৈত্যের সামনে এই সংস্থাগুলির টিকে থাকা মুশকিল।
তবে একাধিক সংস্থা অনলাইন ওষুধ ব্যবসার বিরুদ্ধে। তাদের মতে, অনলাইনে ওষুধ বিক্রি হলে বিপদ অনেক রয়েছে। যে ওষুধ ডেলিভারি রয়েছে যথাযথ কিনা তা বোঝা মুশকিল। ওষুধের গুণগত মান নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তা ছাড়া অনেকে বলছেন, অনলাইন ডেলিভারিতে অনেক সময়েই সার্ভার সমস্যা বা অন্যান্য যান্ত্রিক গোলোযোগ থাকে। তাতে এক দিকে যেমন রোগীর ওষুধ পেতে দেরি হবে তেমনই একটি ওষুধের বদলে অন্য ওষুধও ডেলিভারি হয়ে যেতে পারে। কারণ নাকের অর্ডার দিলে বাড়িতে নরুন আসার ঘটনা ঘটে আকছাড়।