রাস্তায় থুতু ফেলার অভ্যাস ছাড়ুন, দেশবাসীকে পরামর্শ মোদীর
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরেই স্বচ্ছ ভারত অভিযান শুরু করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। বারবার পরিবেশ ও রাস্তাঘাট পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপারে জোর দিয়েছেন তিনি। কোভিড সংক্রমণের সময়ে সেই স্বচ্ছতা আরও বেশি দরকার বলে মনে করছেন তিনি।
শেষ আপডেট: 26 April 2020 08:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরেই স্বচ্ছ ভারত অভিযান শুরু করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। বারবার পরিবেশ ও রাস্তাঘাট পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপারে জোর দিয়েছেন তিনি। কোভিড সংক্রমণের সময়ে সেই স্বচ্ছতা আরও বেশি দরকার বলে মনে করছেন তিনি। আর তাই রাস্তায় থুতু ফেলার অভ্যাস ছাড়ার জন্য দেশবাসীকে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
রবিবার নিজের রেডিও শো ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে মোদী বলেন, “আমরা সব সময়ই জানি রাস্তায় থুতু ফেলা অন্যায়। কিন্তু তাও আমরা এটা করে থাকি। এবার সময় এসেছে আমরা যাতে আর থুতু না ফেলি। রাস্তায় থুতু ফেলার অভ্যাস ছাড়ুন। এতে পরিচ্ছন্নতা বজায় থাকবে ও কোভিড ১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের শক্তি যোগাবে।”
প্রকাশ্য রাস্তায় যাতে থুতু ফেলার মতো ঘটনা না ঘটে তার জন্য ইতিমধ্যেই কেন্দ্র তামাকজাত দ্রব্য বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে সব রাজ্যগুলিকে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে, কোথাও যাতে গুটখা, পান-মশলা বিক্রি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে সব রাজ্যের মুখ্যসচিবকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, “পান-মশলা, গুটখা, সুপারির মতো তামাকজাত দ্রব্য চেবালে মুখের মধ্যে অতিতিক্ত লালা জমা হয়। ফলে থুতু ফেলার দরকার হয়ে পড়ে। রাস্তায় থুতু ফেললে কোভিড ১৯ সংক্রমণের পরিমান বেড়ে যায়।”
ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের তরফেও ভারতবাসীর কাছে আবেদন করা হয়েছে তামাকজাত দ্রব্য খেয়ে থুতু না ফেলতে। আইসিএমআর জানিয়েছে, “রাস্তাঘাটে থুতু ফেললে করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।” সেই বার্তা আরও একবার দেশবাসীকে দেওয়ার চেষ্টা করলেন মোদী। মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্যই সবাইকে থুতু ফেলার অভ্যাস ছাড়ার পরামর্শ দিলেন তিনি।
এদিনের অনুষ্ঠানে দেশবাসীকে মাস্ক পরার প্রয়োজনীয়তার কথা আরও একবার মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমাদের মাস্ক পরতে হবে। এটা আমাদের জীবনের অঙ্গ হয়ে গিয়েছে। সভ্য সমাজের প্রতীক হয়ে উঠেছে মাস্ক। এটা এক নতুন বাস্তব। মাস্কের ব্যাপারে আমাদের ধারণা আরও বদলে যাবে।” এর আগে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, এই করোনাভাইরাসের প্রভাব আমাদের জীবনকে বদলে দিয়েছে। এখন উৎসব পালন থেকে শুরু করে অফিসের কাজ, মিটিং, বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার এক নতুন মাধ্যম খুঁজে পেয়েছি আমরা।