
শেষ আপডেট: 22 March 2020 13:39
এই বিবৃতিতে এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে আরও বলে হয়েছে, সবসময় বিমানের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্লাভস, মাস্ক ও পোশাক ব্যবহার করা হত। এমনকি কোনও যাত্রী করোনা আক্রান্ত থাকলে তাঁকে নির্দিষ্ট পোশাক দেওয়া হত। একবার বিদেশ থেকে ফেরার পরে সব কর্মীকে বাধ্যতামূলক ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয়েছে। এমনকি প্রত্যেককে পরীক্ষা করেও দেখা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও তাঁদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।
এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, এরপরেও কর্মীরা যেসব জায়গায় থাকেন, সেখানে রেসিডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনগুলি ও স্থানীয় মানুষ তাঁদের হেনস্থা করছেন। অন্য দেশ থেকে ফেরার ফলে করোনা ভাইরাসের আশঙ্কায় তাঁদের কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। কার্যত একঘরে করে রাখা হয়েছে। এমনকি পুলিশে পর্যন্ত অভিযোগ করে এই কর্মীদের হেনস্থা করা হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে পুলিশ ও প্রশাসনের কাছে তাঁদের কর্মীদের সুরক্ষার আবেদন জানিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া। তাদের বক্তব্য, এটা ভুললে চলবে না, এই কর্মীরা বিপদের মধ্যে বিদেশ থেকে কারও মা, কারও ভাই, কারও বা অন্য কোনও আত্মীয়কে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন। তাই ডাক্তার বা নার্সের মতোই অবদান রয়েছে এই কর্মীদের। তাঁদের ন্যূনতম সম্মান দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে এই বিমানসংস্থা।