দ্য ওয়াল ব্যুরো: ওড়ার কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয়েছিল যান্ত্রিক গোলযোগ। আর তার ফলে রাস্তার উপরেই ইমারজেন্সি ল্যান্ডিং করাতে হল ভারতীয় বায়ুসেনার এক চিতা হেলিকপ্টারকে। যদিও এই ঘটনায় কেউ আহত হননি। হেলিকপ্টারটিরও কোনও ক্ষতি হয়নি।
জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের হিন্দন এয়ারবেস থেকে চণ্ডীগড়ের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল বায়ুসেনার ওই চিতা হেলিকপ্টারটি। কিন্তু যান্ত্রিক গোলযোগ হওয়ায় উত্তরপ্রদেশের বাঘপতে ইস্টার্ন পেরিফেরাল এক্সপ্রেসওয়ের উপর ইমারজেন্সি ল্যান্ডিং করাতে হয়।
বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা নাগাদ হিন্দন এয়ারবেস থেকে উড়ে যায় বায়ুসেনার ওই চপার। দু’আসনের এই হেলিকপ্টারে পাইলট ছাড়াও এক জওয়ান ছিলেন। কিছুদূর যাওয়ার পরেই যান্ত্রিক গোলযোগ বুঝতে পারেন পাইলট। তিনি এয়ারবেসে খবর দিয়ে ইমারজেন্সি ল্যান্ডিংয়ের অনুমতি চান। সেই সময় বেসে ফিরে আসা মুশকিল ছিল বলে ইস্টার্ন পেরিফেরাল এক্সপ্রেওয়ের উপর মাভিকালান গ্রামের কাছে ল্যান্ডিং করে সেই হেলিকপ্টার।
বাঘপতের পুলিশ সুপার প্রতাপ গোপেন্দ্র যাদব জানিয়েছেন, খবর পেয়েই সেখানে পুলিশে টিম পাঠিয়ে দেওয়া হয়। যেন কোনওভাবেই হেলিকপ্টার বা জওয়ানদের কোনও সমস্যা না হয়, তার দিকে লক্ষ্য রাখার জন্যই পুলিশ পাঠানো হয় সেখানে।
কিছুক্ষণ পরেই অবশ্য হিন্দন এয়ারবেস থেকে আর একটি হেলিকপ্টার সেখানে আসে। সেই হেলিকপ্টারে করে টেকনিক্যাল টিম আসে। তাঁরা খারাপ হয়ে যাওয়া হেলিকপ্টারটিকে পরীক্ষা করে দেন। ২৫ মিনিট পরে তা ঠিক হয়। তারপরে দুটি হেলিকপ্টারই নিজের নিজের গন্তব্যে উড়ে যায় বলে খবর।
তবে যান্ত্রিক গোলযোগ হওয়ার পরে বুদ্ধি করে রাস্তার উপরে ল্যান্ডিং করাতে পেরেছেন বলে চপারের পাইলটের প্রশংসা করছেন সবাই। যদি কোনওভাবে আশেপাশের গ্রামের উপর সেটি ভেঙে পড়ত তাহলে অনেক জীবনহানির আশঙ্কা থাকত। ওড়ার আগে কেন এই যান্ত্রিক গোলযোগের ব্যাপার বোঝা গেল না, সেটাও ভাবাচ্ছে বায়ুসেনা আধিকারিকদের। এবার থেকে হেলিকপ্টার ওড়ার আগে ভাল করে সব যন্ত্রপাতি পরীক্ষা করে দেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।