দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সভার কয়েক ঘণ্টা পর উত্তরপ্রদেশের গাজিপুরে বিক্ষোভকারীদের ছোড়া পাথরের আঘাতে নিহত পুলিশকর্মী সুরেশ বৎস। রবিবার বিকেল পর্যন্ত ওই ঘটনায় ১৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আটক করা হয়েছে আরও বেশ কয়েকজনকে। উত্তরপ্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে মট ৩২ জনের নাম রয়েছে এফআইআর-এ। বাকিদের খোঁজেও তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
গাজিপুরে নরেন্দ্র মোদীর সভায় নিরাপত্তার কাজে ছিলেন নোনহারা থানার কনস্টেবল সুরেশ। প্রধানমন্ত্রী ফিরে যাওয়ার পর তাঁরাও ডিউটি সেরে ফিরে যাচ্ছিলেন থানায়। পথে একটি হাইওয়েতে তখন চলছিল নিশাদ সম্প্রদায়ের অবস্থান বিক্ষোভ। তাঁরা আরও বেশি সংরক্ষণ চেয়ে হাইওয়েতে অবরোধ করছিলেন। অব রোধ তুলে দেওয়ার জন্য বলা হয় পুলিশকর্মীদের। তাঁরা সেখানে গিয়ে অবস্থান তোলার চেষ্টা করলে অবরোধকারীরা পুলিশের দিকে পাথর ছুড়তে শুরু করে। সেই পাথরের আঘাতেই মৃত্যু হয় সুরেশের।
বুলন্দশহরের স্মৃতি এখনও টাটকা। গত ৩ ডিসেম্বর পুলিশ অফিসার সুবোধ কুমার সিং খুন হন। ওই ঘটনায় তোলপাড় হয়েছে জাতীয় রাজনীতি। নাম জড়িয়েছে বিজেপি-র যুব মোর্চা এবং বজরংদল নেতার। গাজিপুরে পুলিশ খুনের ঘটনাতেও বিরোধীরা আক্রমণ শানাচ্ছেন শাসক দল বিজেপি-র বিরুদ্ধে। সমাজবাদী পার্টি নেতা তথা উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী যোগীর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। কংগ্রেসের এক নেতা বলেন, “যে রাজ্যে পুলিশকে খুন হতে হয়, সেখানকার আইন-শৃঙ্খলার অবস্থা কী তা আর কাউকে বলে দিতে হয় না।”
যদিও শনিবার ঘটনার পরেই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামে বিজেপি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিহত পুলিশকর্মীর পরিবারের জন্য মোটা অঙ্কের ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন। যদিও নিহত পুলিশ কনস্টেবলের ছেলে বলেন, “টাকা নয়। যারা আমার বাবাকে খুন করেছে, আমি তাদের ফাঁসি চাই।”