Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
West Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ West Bengal Election 2026: প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী! কোন জেলায় কত ফোর্স?IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের

৯৯ বছরে করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরলেন বেঙ্গালুরুর বৃদ্ধা, জন্মদিনের দিনই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কর্নাটকের সবথেকে বয়স্ক হিসেবে করোনাভাইরাসকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠলেন বেঙ্গালুরুর এক বৃদ্ধা। ৯৯ বছর বয়সে করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরেও সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিনি। গত ১৮ জুন করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ওই মহিলা। ঘটনাচক্

৯৯ বছরে করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরলেন বেঙ্গালুরুর বৃদ্ধা, জন্মদিনের দিনই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি

শেষ আপডেট: 28 June 2020 12:44

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কর্নাটকের সবথেকে বয়স্ক হিসেবে করোনাভাইরাসকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠলেন বেঙ্গালুরুর এক বৃদ্ধা। ৯৯ বছর বয়সে করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরেও সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিনি। গত ১৮ জুন করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ওই মহিলা। ঘটনাচক্রে সেদিনই ছিল তাঁর ৯৯ তম জন্মদিন। তাঁকে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুধু ওই মহিলা নন, তাঁর ৭০ বছর বয়সী ছেলে, এবং পুত্রবধূ ও নাতিকেও ভর্তি করতে হয় হাসপাতালে। মাত্র ৯ দিনেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন ওই বৃদ্ধা। তাঁর সঙ্গে তাঁর নাতিও সুস্থ হয়ে উঠেছেন। শুক্রবার তাঁদের দুজনেরই রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। শনিবার নাতির হাত ধরে হাসপাতাল থেকে পায়ে হেঁটে বেরিয়ে আসেন বৃদ্ধা। তাঁকে হাসপাতালের তরফে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বৃদ্ধার ছেলে জানিয়েছেন, “আমি, আমার স্ত্রী ও ছেলে তিনজনেরই জ্বর, সর্দি ও কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিয়েছিল। কিন্তু আমার মায়ের কোনও উপসর্গ ছিল না। তারপরেও আমরা ওনাকে টেস্ট করাই। তাতে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তারপরেই সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।” ওই পরিবার এখনও বুঝতে পারছেন না তাঁদের শরীরে এই ভাইরাসের সংক্রমণ কী ভাবে ছড়াল। কারণ লকডাউনের মধ্যে একমাত্র বৃদ্ধার নাতি ছাড়া সবাই বাড়িতেই থাকতেন। কেবল ২৯ বছর বয়সী নাতিই জিনিসপত্র কিনতে, বাজার করতে বাড়ির বাইরে যেতেন। কিন্তু সবরকমের সতর্কতা অবলম্বন করা হত। তারপরেও আক্রান্ত হলেন তাঁরা। প্রথমে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য তাঁরা যান। কিন্তু সেখানে কোভিড ১৯ আক্রান্তদের চিকিৎসা হয় না। ফলে বাধ্য হয়েই ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে ভর্তি হন তাঁরা। বৃদ্ধার ছেলে জানিয়েছেন, “আগে আমাদের ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল সম্পর্কে অন্য রকমের ধারণা ছিল। কিন্তু এখানকার পরিষেবা যথেষ্ট ভাল। যেদিন থেকে ভর্তি হয়েছি, আমাদের একটা পয়সাও খরচ করতে হয়নি। আমার মা ও ছেলে সুস্থও হয়ে উঠেছেন।” এই প্রসঙ্গে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারের নোডাল অফিসার ডক্টর অসীমা বসু জানিয়েছেন, “ট্রমা কেয়ার সেন্টারের ডাক্তার ও নার্সদের উৎসাহ ও চিকিৎসায় ওই বৃদ্ধা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তিনি মানসিকভাবে যথেষ্ট ইতিবাচক। জীবনকে ভাল ভাবে বাঁচতে জানেন। তাই আরও দ্রুত তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছেন।”

```